advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বিক্ষোভের ছবি ফেসবুকে
বাংলাদেশি ছাত্রীকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ

আমাদের সময় ডেস্ক
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:৩১
কলকাতার পার্ক সার্কাসে সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভে নারীরা। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভের ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্টের অভিযোগে আফসারা আনিকা মিম নামে এক বাংলাদেশি ছাত্রীকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিদেশি নিবন্ধকের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে মিমকে চিঠি পাঠিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে ভারত ছাড়তে বলা হয়। তার বিরুদ্ধে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে পড়তে এসে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এর মাধ্যমে আনিকা মিম তার ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বভারতীর চারুকলা অনুষদের গ্রাফিক ডিজাইনে প্রথম বর্ষের ছাত্রী মিমের বাড়ি বাংলাদেশের কুষ্টিয়ায়। ২০১৮ সালে তিনি বিশ্বভারতীতে পড়তে যান। টেলিগ্রাফের খবরে বলা হয়, সিএএবিরোধী বিক্ষোভের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পর থেকেই ওই ছাত্রী ‘ট্রলের’ শিকার হচ্ছেন। তার ওপর ভারত ছাড়ার নোটিশ পেয়ে মিম নিজের শিক্ষাজীবন নিয়ে অনিশ্চয়তায় বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বিভাগ থেকে চিঠি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চরম ক্ষতির এক ঘোর অনুভূতি আমাকে গ্রাস করেছে। শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন থেকে বিশ্বভারতীতে পড়তে আমি এসেছিলাম। আমি জানি না এখন আমার কী হবে।’ কী অপরাধে তাকে এমন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে তা এখনো বুঝতে পারছেন না জানিয়ে মিম বলেন, ‘কৌতূহলের বশে বন্ধুদের অংশ নেওয়া প্রতিবাদ মিছিলের কয়েকটা ছবি পোস্ট করেছিলাম। কিন্তু যখন আমি দেখলাম বিশেষ একদল লোক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে নিয়ে ট্রল করছে, সঙ্গে সঙ্গেই আমি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করেছি।’

মিমের বিরুদ্ধে এ আদেশ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন তার সহপাঠীরা। বিশ্বভারতীর এক ছাত্র বলেন, যদি বিদেশি ছাত্ররা প্রতিবাদ করতে না পারে বা তার বন্ধুদের আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য না করতে পারে তা হলে আমরা কীভাবে বলব যে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে বাস করছি? ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানাতে কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে মিমের কলকাতায় বিদেশি নিবন্ধকের আঞ্চলিক কার্যালয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

মিমের বিষয়ে কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন জানিয়েছে, এ বিষয়ে তারা কিছু জানে না। এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা জানি তাকে নজরে রাখা হয়েছে। বিষয়টি ঢাকায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এসব ক্ষেত্রে আমাদের খুব একটা করার কিছু থাকে না।

advertisement
Evall
advertisement