advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

নুয়ে পড়েছে স্পেন : স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট, মৃত্যুহার বাড়ছেই

লোকমান হোসন,স্পেন
২৫ মার্চ ২০২০ ২২:২৩ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২০ ২২:২৭
ছবি : সংগৃহীত
advertisement

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়লেও দিন দিন বিশ্বের অন্যান্য দেশে মহামারী ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনে মৃত্যুর যে রেকর্ড ছিল তা অনেক আগেই অতিক্রম করেছে ইতালিতে। দ্বিতীয় দেশ হিসেবে বেশি মৃত্যু হারের তালিকায় যোগ হলো স্পেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ইউরোপের দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৭৩৮ জনের। আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৩৪ জন; যা পেছনে ফেলেছে চীনকে।

স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবারের চেয়ে আজ বুধবার স্পেনের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ২০ গুণ। সবচেয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে মাদ্রিদ। এক তৃতীয়াংশ মানুষ এই অঞ্চলেই মারা গেছে। ব্যাপক ঝুঁকিতে আছে দেশটির স্বাস্থ্যকর্মীরা। পরিসংখ্যান বলছে, দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মধ্যে ১০ শতাংশই স্বাস্থ্যকর্মী।

গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ফেরনান্দো সাইমন জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৩ হাজার ৪৭৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। যে কারণে, হাসপাতালগুলোতে রোগী জায়গা দিতেও হিমশিত খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

মাদ্রিদের হাসপাতালগুলোতে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আইসিইউতে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। সরকার সব বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে নিজ অধীনে নিয়েছে।

ইতিমধ্যে স্পেনের সবচেয়ে বড় সম্মেলনকেন্দ্র ‘ফেরিয়া দে মাদ্রিদে’ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় অস্থায়ী হাসপাতাল করে করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। দেশটিতে স্বাস্থ্যকর্মী সংকটের ফলে সরকার মেডিকেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী এমনকি অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের নিয়োগ দিচ্ছে।

অর্থনৈতিকভাবে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দেশ হলেও করোনাভাইরাসের দাপটে ভেঙে পড়েছে তা। অর্থনৈতিক কার্যক্রম অচল হয়ে পড়েছে। পর্যটকবান্ধব দেশ হলেও এখন চারিদিক ফাঁকা। সুপার সপ ও ফার্মেসি ছাড়া সব দোকানপাট বন্ধ।

গত এক সপ্তাহ ধরে ‘রেড জোন’ জারি রয়েছে স্পেন জুড়ে। প্রথম ৪ এপ্রিল পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও পরবর্তীতে তার ১২ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে দেশটির সরকার। এ কারণে দেশের নাগরিকসহ বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশের প্রবাসীরা।

advertisement
Evall
advertisement