advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কেএসআরএমের ইয়ার্ড বন্ধ ঘোষণা

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২৬ মার্চ ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২০ ২৩:১৬
advertisement

দুই শ্রমিক নিহতের ঘটনার পর কেএসআরএম গ্রুপের মালিকানাধীন মেসার্স খাজা শিপব্রেকিং ইয়ার্ড লিমিটেডের সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়। এ ঘটনায় মন্ত্রণালয় থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত মঙ্গলবার সকালে গ্যাসের বিষক্রিয়ায় দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়। সীতাকু-ের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের গহরিতলা এলাকায় খাজা শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নিরঞ্জন ও সুমন দাস বরিশাল জেলার মৃত গৌরাঙ্গের সন্তান। ওই দিন বিকালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল হালিম ইয়ার্ডের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়ে চারটি চিঠি ইস্যু করেন। শিল্প

সচিব মো. আব্দুল হালিম আমাদের সময়কে বলেন, দুই শ্রমিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়ার পরই ইয়ার্ডের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি। তিন সদস্যের একটি কমিটি ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেবে। এর পর আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।

জানা গেছে, কারখানার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে একটি, তদন্ত কমিটি সংক্রান্ত একটি, বাংলাদেশ শিপব্রেকিং অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি করতে একটি এবং নিহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ সঠিকভাবে আদায় করছে কিনা এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ইস্যু করা হয়।

বাংলাদেশ শিপব্রেকিং অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিএ) সভাপতি আবু তাহের আমাদের সময়কে বলেন, মন্ত্রণালয়ের চিঠি আমরা পেয়েছি। অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে আমাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও আমরা মতামত দেব।

এর আগে আইন না মেনে জাহাজ ভাঙার কাজ করায় খাজা শিপব্রেকিং ইয়ার্ডকে একাধিকবার কারণ দর্শাও নোটিশ দিয়েছিল শিল্প মন্ত্রণালয়। গত বছর এক শ্রমিক মৃত্যুর তথ্য গোপন করায় তিন মাসের জন্য জাহাজ আমদানি নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু এর পরও থেমে নেই শ্রমিক মৃত্যুর মিছিল। বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও আইন না মেনে কাজ করানোর জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাহাজ ভাঙা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।

advertisement