advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ছুটির মধ্যেও স্বাভাবিক থাকবে চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২৬ মার্চ ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২০ ২৩:১৬
advertisement

করোনা ভাইরাসের কারণে টানা ১০ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে এ সময় দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের অপারেশনাল কাজ স্বাভাবিক থাকবে। ডেলিভারি দিতেও প্রস্তুত থাকবেন সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে ১০ দিনের ছুটিতে সীমিত আকারে শুল্কায়নের কাজ চালাবে কাস্টম কর্তৃপক্ষ। ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক আমাদের সময়কে বলেন, সাপ্তাহিক ছুটির মতো সাধারণ ছুটিতেও বন্দরের অপারেশনাল কাজ চালু থাকবে। পণ্য খালাস প্রক্রিয়াও স্বাভাবিক থাকবে। শিডিউল অনুযায়ী জাহাজও চলাচল করবে। জাহাজের পাইলট, সিকিউরিটি, পরিবহন বিভাগের কর্মীরা ছুটির আওতায় থাকবে। এ ছাড়া অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থলের আশপাশের বাসায় থাকবেন। প্রয়োজনে যে কোনো সময় কাজে যোগ দিতে প্রস্তুত থাকবেন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার কাজী মো. জিয়াউদ্দিন আমাদের সময়কে জানান,

সীমিত আকারে শুল্কায়নের কাজ চলবে। চাল, গম, ডাল, ওষুধ, করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত বিভিন্ন পণ্য দ্রুত ছাড় দেওয়া হবে। তিনি বলেন, কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়মিত কাজ করবেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ভাগে কাজ চলবে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আমদানি এবং রপ্তানি পণ্যের শুল্কায়নে প্রায় ৭ হাজার বিল অব এন্ট্রি জমা করেন সিঅ্যান্ডএফ (ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং) এজেন্ট কর্মচারীরা। সাধারণত চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দৈনিক ১০০-১২০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দৈনিক তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টিইইউস (টুয়েন্টি ইকুয়েভেলেন্ট ইউনিট) কনটেইনার খালাস হয়। এ ছাড়া ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার ট্রাক খোলা পণ্য নিয়ে যাতায়াত করে।

বন্দর কর্মকর্তারা জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে বন্দরে এখনো জাহাজ আগমনের সংখ্যা কমেনি। আউটারে মোট ১৬ দিন কোয়ারেন্টিনের পর জেটিতে ভেড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে বিদেশি জাহাজকে। এ ছাড়া করোনা মোকাবিলায় বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

advertisement