advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

খালেদা জিয়া মুক্ত
কে লাভবান হলো তা ভবিষ্যতে বোঝা যাবে

২৬ মার্চ ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২০ ২৩:১৮
advertisement

অবশেষে খালেদা জিয়া মুক্তি পেলেন। গত ২৪ তারিখ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার শাস্তি ছয় মাস স্থগিত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এর ফলে তার মুক্তি পেতে আর বাধা ছিল না। প্রায় আড়াই মাস ধরে খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তাকে মুক্ত করার জন্য বিএনপি রাজপথের আন্দোলন ও আইনি লড়াইয়ের সিদ্ধান্তে অটল ছিল। দীর্ঘ ২৫ মাস কারাবন্দিকালে বিএনপির দুই ফ্রন্টে দলীয় নেত্রীর মুক্তির প্রচেষ্ট চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। এতে তাদের দলের সাংগঠনিক ব্যর্থতা প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে। আগেই মামলা ও অসুস্থতার কারণে দলের দ্বিতীয় নেতা তারেক জিয়া দেশের বাইরে আছেন আজ এক যুগের বেশি কাল ধরে। বিদেশ থেকে তার দল পরিচালনার প্রয়াসও ব্যর্থ হয়েছে। জাতীয় ও স্থানীয় বড়-ছোট নেতাকর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতে সফল হননি। ফলে ব্যাপক জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও বিএনপি রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার অসুস্থতা বেড়ে গেলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মানবিক কারণে মুক্তির আবেদন জানানো হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী সাড়া দিয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক, বিএনপি নেতারাসহ পরিবার একে ইতিবাচক ঘটনা হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে স্বভাবতই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি লাভবান হলো নাকি প্রধানমন্ত্রীর হাত আরও শক্তিশালী হলো, সেটা ভবিষ্যতে বোঝা যাবে। তবে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব আমাদের দেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আপাতত মনে হচ্ছে, এতে সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও শক্তির ব্যাপকতারই প্রকাশ ঘটল। বিপরীত দিকে বিএনপির দুর্বলতা প্রকাশ পেল। এতে দলের কর্মী-সমর্থকদের মনোবল আরও দুর্বল হওয়ারই কথা। তবে সব কিছুই আগামী দিনগুলোর ঘটনাবলি এবং দুই দল ও দুই নেত্রীর ভূমিকার ওপর নির্ভর করবে।

advertisement