advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লকডাউনের সময় যে ৬ কাজ করতে বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

অনলাইন ডেস্ক
২৬ মার্চ ২০২০ ২১:২৪ | আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২০ ২২:২৩
প্রতীকী ছবি
advertisement

করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশে ১০ দিনের ছুটি শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এ ছুটিতে গণপরিবহনে চলাচল বন্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশে কার্যত লকডাউন শুরু হয়েছে।

এর আগে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য, কাঁচা বাজার এবং ওষুধের দোকান ছাড়া সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বন্ধ হয়েছে সব স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক জনসমাগম। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। আর গতকাল রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে এই লকডাউনের সময়টাতে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত হতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, লকডাউন বা শাটডাউন পরিস্থিতিতে বিশ্বের দেশগুলো ছয়টি বিষয়ের দিকে নজর দিলে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত হতে পাররে।

এ মহামারির সময়ে যে ছয় কাজ করা জরুরি বলে মনে করছে ডব্লিউএইচও :

১. যতটা সম্ভব পারা যায় স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সংখ্যা বাড়াতে হবে, তাদের প্রশিক্ষণ ও সেবা কাজে নিয়োগ করতে হবে।

২. কমিউনিটি লেভেলে সংক্রমণ হতে পারে-এমন প্রতিটি ঘটনা খুঁজে বের করার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. টেস্ট করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে হবে।

৪. রোগীদের চিকিৎসা এবং তাদের আইসোলেট করার জন্য পর্যাপ্ত সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. রোগীদের সংস্পর্শে আসা প্রত্যেকের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

৬. ইতিমধ্যে কোভিড-১৯ মোকাবিলা করার জন্য গৃহীত সরকারি পদক্ষেপগুলো পুর্নমূল্যায়ন করতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এসব ব্যবস্থা নেওয়াটাকেই সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটির দাবি, এসব ব্যবস্থাই ভাইরাসটির সংক্রমণ কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায়, যাতে করে পরবর্তীতে এটি আবার না ছড়াতে পারে। এসব ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর স্কুল-কলেজ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও অসুবিধা নেই, যতক্ষণ না আবারও ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু না হয়।

ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক ঘেব্রেইয়েসাস বলছেন, কঠোর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার চেয়ে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের খুঁজে বের করা, আইসোলেট করা, টেস্ট করা এবং নজরদারিতে রাখার বিষয়ে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিতে পারলেই সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ও কার্যকর উপায়ে ভাইরাসটিকে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

advertisement
Evall
advertisement