advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কন্টেইনার হ্যান্ডলিং স্বাভাবিক রাখতে সাইফের বিশেষ ব্যবস্থা

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২৮ মার্চ ২০২০ ১৪:০৭ | আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২০ ১৪:৩২
পণ্য আমদানি রপ্তানির কাজে নিয়োজিত সাইফ পাওয়ারটেক
advertisement

করোনাভাইরাসের কারণে টানা ১০ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। গণ পরিবহন এবং বন্দর অভ্যন্তরে খাবারের দোকান বন্ধ থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করেছে চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড।

সাইঢ পাওয়ারটেকের পক্ষ থেকে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিজস্ব পরিবহন সেবা চালু করা হয়েছে। এতে নির্দিষ্ট সময়ে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে কর্মস্থলে আনা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমীনের নির্দেশে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি এ ব্যাপারে নিয়মিত খোঁজ খবর রাখছেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছেন। 

জানা গেছে, বর্তমানে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১০দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলেও এ সময়ের মধ্যে দেশের আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কাজ স্বাভাবিক রাখার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে পণ্য ডেলিভারি এবং পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলও স্বাভাবিক থাকবে বলে জানানো হয়। পণ্য শুল্কায়নের জন্য খোলা রয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, ‘বন্দরের অপারেশনাল কাজ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। দ্রুত পণ্য ডেলিভারি দিতে প্রস্তুত রয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা। এ ছাড়া আমাদের অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছুটিতে থাকলেও যে কোনো মুহূর্তে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’ 

সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মো. রুহুল আমীন দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, ‘দেশের আমাদানি-রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখতে আমরা তৎপর। বন্দরের সঙ্গে সমন্বয় করে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাজ চালানো হচ্ছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় আমাদের স্টাফদের কর্মস্থলে আসতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তাই নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা চালু করেছি। করোনা প্রতিরোধে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করেছি। পাশাপাশি কোথাও কোনো সমস্যা আছে কিনা তা চিহ্নিত করতে মনিটরিং টিম দায়িত্ব পালন করছে।’

দেশের মোট আমদানি রপ্তানির ৯২ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে। এক সময় খোলা জাহাজে পণ্য আসতো। নব্বই দশক থেকে কন্টেইনারে পণ্য পরিবহন বাড়তে থাকে। শুরুতে বন্দর কর্তৃপক্ষ সরাসরি পরিচালনা করলেও চট্টগ্রাম বন্দরের সিসিটি ও এনসিটি টার্মিনাল বেসরকারি পরিচালনায় দেওয়া হয়।

সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড টার্মিনাল দুটি পরিচালনা করছে। এরপর থেকে দ্রুত বাড়তে থাকে কন্টেইনার পরিবহন। বর্তমানে বিশ্বের ১০০টি কন্টেইনার ভিত্তিক বন্দরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ৬৪তম।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের চিটাগাং কন্টেইনার টার্মিনাল (সিসিটি), নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), পানগাঁ কন্টেইনার টার্মিনাল এবং জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি) মিলে মোট কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সাড়ে ৫৭ শতাংশ হ্যান্ডলিং করেছে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড। বর্তমানে বিশেষ পরিস্থিতিতে কন্টেইনার ওঠা-নামা স্বাভাবিক রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এজন্য বিশেষ ব্যবস্থার পাশাপাশি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

advertisement
Evall
advertisement