advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মীদের ১৫ কোটি টাকার পিপিই দেবে বেক্সিমকো

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
২৯ মার্চ ২০২০ ০০:৩৬ | আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২০ ০০:৩৬
advertisement

দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ১৫ কোটি টাকা মূল্যের পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই), ওষুধ ও টেস্ট কিট দেবে কর্পোরেট খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপ।

এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার রাজধানীর স্থানীয় হোটেলে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান (এমপি) বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র ও কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সরকার নির্ধারিত হাসপাতালগুলোর প্রতিনিধিদের কাছে প্রথম ধাপের উপকরণ হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো, আইসিডিডিআরবির সংক্রমণশীল রোগ বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক অধ্যাপক অ্যালেন রস, বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধি ডা. বর্দন জং রানা, সিডিসির কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মাইকেল ফ্রিডম্যান, আইইডিসিআর’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির উপস্থিত ছিলেন।

যেকোনো ধরণের জাতীয় দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে বেক্সিমকো গ্রুপ সবসময়ই বদ্ধপরিকর জানিয়ে বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান বলেন, ‘কোভিড-১৯ রোগের বিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে যখন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই আক্রান্ত হচ্ছে, তখন এই মহামারীর প্রভাব মোকাবিলায় আমরাও এক নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট প্রাপ্তি নিশ্চিত করা এই মুহূর্তে একটি অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। আর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের এই প্রয়োজনের সময় সাড়া দিতে পেরে আমরা গর্বিত। দায়িত্বশীল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা এই সাংঘাতিক সংকট মোকাবিলায় সরকারকে আন্তরিকভাবে সহায়তা প্রদান করা অব্যাহত রাখবো।’

বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান (এমপি) বলেন, ‘এই বৈশ্বিক সংকটের সময় বাংলাদেশের এখন জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসার জন্য ওষুধ, রোগ শনাক্তকরণের কিট ও সম্মুখভাগে কর্মরত স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের সুরক্ষায় পিপিই প্রয়োজন। ডাক্তার, নার্স ও রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং হাসপাতালের কর্মকান্ড যতদূর সম্ভব স্বাভাবিক রাখতে পিপিই সরবরাহ অব্যাহত রাখবে বেক্সিমকো। এছাড়াও, কোভিড-১৯ রোগের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ ও সহায়তা কর্মসূচিতে বেক্সিমকো ফার্মা সম্পৃক্ত থেকেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বেক্সিমকো ফার্মার নেওয়া উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে সঙ্কটাপন্ন কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিদেশ থেকে অতিপ্রয়োজনীয় ভেন্টিলেটর সংগ্রহ করা, আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন একটি গবেষণা সংস্থার সঙ্গে একযোগে কাজ করা, নতুন আধুনিক পরীক্ষাগার স্থাপনে ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য হাসপাতালের সুবিধা বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।’

প্রসঙ্গত, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত উচ্চমানের ‘টিওয়াইভিইকে প্রোটেকটিভ কাভারঅল’, মুখ বন্ধনী, গ্লাভস, প্রোটেকটিভ গগলস সহ এই পিপিই দুই ধাপে বিতরণ করবে বেক্সিমকো ফার্মা। প্রথম দফায় দুই পরীক্ষা কেন্দ্র অর্থাৎ আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআর,বি এবং কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সরকার নির্ধারিত হাসপাতাল অর্থাৎ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, কমলাপুর বাংলাদেশ রেলওয়ে হাসপাতাল, নয়াবাজার মহানগর জেনারেল হাসপাতাল, মিরপুর বিএভিএস মেটারনিটি হাসপাতাল, কামরাঙ্গিচর ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, আমিনবাজার ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, জিঞ্জিরা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকায় এসব পিপিই সরবরাহ করা হবে।দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশজুড়ে ১৫০ টিরও বেশি শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালে এই পিপিই সরবরাহ করবে বেক্সিমকো ফার্মা।

advertisement
Evall
advertisement