advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনা-যুদ্ধে দরিদ্র মানুষরা
সহায়তার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ নিন

৩০ মার্চ ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২০ ০০:৩৪
advertisement

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানোর জন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে জনসমাগম এড়াতে ঘরেই থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের দেশেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান, ফার্মেসি, সীমিত আকারের ব্যাংকিং ছাড়া অফিস-আদলাত, স্কুল-কলেজ সব কিছুই আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু দেশের কোটি কোটি মানুষ দিন আনে দিন খায়। জীবিকার সন্ধানে তারা ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে এসেছিলেন। সব কিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই গ্রামে ফিরে গেছেন। শহর, গ্রাম নির্বিশেষে দিন আনে দিন খায় মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে। অনেকের রোজগারই ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। সামাজিক নিরাপত্তার যে সীমিত কর্মসূচি আছে, অভিযোগ উঠেছে সেখান থেকেও ঠিকমতো সাহায্য পাচ্ছেন না তারা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে তারা কীভাবে চলবেন?

গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা-যুদ্ধে শামিল হয়েছেন অনেকেই। যার যার সাধ্যমতো পিপিই, স্যানিটাইজার বা দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। দরিদ্র মানুষ যেন সরকারি সহায়তা পান সেজন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সরকার রপ্তানিমুখী খাতের শ্রমিকদের সহায়তা দিচ্ছে। কিন্তু অনানুষ্ঠানিক বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের জন্য এখনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। বলার অপেক্ষা রাখে না, করোনায় চলমান স্থবিরতা যত দীর্ঘ হবে, দরিদ্র বা নিম্নবিত্ত মানুষের কষ্ট তত বাড়বে। তাই সরকারকে যেমন শক্ত হাতে করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করতে হবে; ঠিক তেমনি অসহায় দিনমজুরদের জন্যও সাহায্যের ব্যবস্থা রাখতে হবে। আমরা মনে করি শুধু সরকার নয়, বেসরকারি উদ্যোগও থাকতে হবে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। বিত্তবানদের প্রতি চাওয়াÑ এই সংকটে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসুন। সবার সমন্বিত পদক্ষেপেই এই সংকট কাটিয়ে উঠতে হবে। আমাদের বিশ্বাস বাংলাদেশ এই ঘাতক ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত হয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াবে বিশ্বের নব অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে।

advertisement