advertisement
advertisement

ক্ষতি পোষাতে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ মার্চ ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২০ ০০:৪১
advertisement

আগামী বাজেটে সিগারেটের নতুন মূল্য নির্ধারণ ও তামাকপণ্যের সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব করেছে অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা)। এতে সরকারের অতিরিক্ত ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় হবে, যা করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব মোকাবিলায় ব্যয় করা যাবে। গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য তামাক কর ও দাম বৃদ্ধিবিষয়ক লিখিত বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছে সংগঠনটি।

করোনা ভাইরাসের উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে বাজেট প্রস্তাব ইমেইলের মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়। জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যে করারোপের বিষয়ে সংগঠনের প্রস্তাবে বলা হয়, বিদ্যমান ৩৭ ও ৬৩ টাকা এই দুটি মূল্যস্তরকে একত্রিত

করে নিম্নস্তরে নিয়ে আসা এবং নিম্নস্তরে ১০ শলাকা সিগারটের খুচরা মূল্য ন্যূনতম ৬৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ১০ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা।

এ ছাড়া ৯৩ ও ১২৩ টাকা এই দুই মূল্যস্তরকে একত্রিত করে প্রিমিয়াম স্তরে নিয়ে আসা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ন্যূনতম ১২৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১৯ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে বিড়ির ফিল্টার এবং নন-ফিল্টার মূল্য বিভাজন তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।

এ ছাড়া আগামী বাজেটে ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের (জর্দা ও গুল) মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৪০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ২৩ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে আত্মা। এর পাশাপাশি সব তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

advertisement