advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রাজধানীতে মোটা চালের সরবরাহ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩১ মার্চ ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২০ ০০:১৬
advertisement

করোনার প্রভাবে রাজধানীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমলেও ব্যতিক্রম চালের বাজার। গত সপ্তাহে কয়েক দফায় বৃদ্ধি পেয়েছে চালের দাম। সারাদেশে ত্রাণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির কারণে গত শুক্রবার থেকে রাজধানীতে মোটা চালের সরবরাহ নেই। মোকাম ও আড়ত থেকে চড়া দামে চাল এনে এখন বিক্রেতার অভাবে বসে আছে পাইকাররা।

গত রবিবার রাজধানীর বাবুবাজার চালের পাইকারি দোকানগুলোয় সরেজমিন দেখা যায়, অধিকাংশ

চালের দোকান বন্ধ। শুধু চার-পাঁচটি দোকান খোলা হয়েছে। গত সপ্তাহে সব ধরনের চালের দাম বস্তায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। এদিন খুচরা পর্যায়ে নাজিরশাইল, মিনিকেটসহ অন্যান্য চালের দাম কেজিতে ২ টাকা বেড়েছে। কিন্তু চলতি সপ্তাহ থেকে মোটা চাল স্বর্ণা, বিআর ২৮-এর সরবারহ বন্ধ রয়েছে। অনেকে এই চাল আনতে উদ্যোগী হলেও বেশি দাম গুনতে হচ্ছে। ফলে স্বর্ণাা ও আটাশের দাম ৪ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে।

বাবুবাজারের পাইকারি বিক্রেতা জামান উল্লাহ বলেন, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন মোকামে এখন চাল স্থানীয়রা ত্রাণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির জন্য কিনে নিচ্ছে। ফলে মোকাম ব্যবসায়ীরা বেশি দামে তাদেরই চাল দিচ্ছে। আর দাম বেশি রাখায় আমরাও মোটা চাল আনছি না।

কারওয়ানবাজারের চালের পাইকারি প্রতিষ্ঠান লাকসাম ট্রেডার্সের ব্যবসায়ী মো. মোশাররফ হোসেন জানান, সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকে ক্রেতারা এখন খুচরার তুলনায় বস্তা হিসেবে চাল কিনছেন। চিকন চালের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অনেক পাইকারের কাছে মিনিকেট, নাজিরশাইলের বস্তা ফুরিয়ে আসছে। তবে চিকন চালের সরবারহ থাকলেও মোটা চালের সরবারহ কম।

বর্তমানে মিনিকেট চালের বস্তা মানভেদে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা; গত সপ্তাহে যা ছিল ২ হাজার ৬৫০ থেকে ২ হাজার ৭৫০ টাকা। অন্যদিকে নাজিরশাইল চালের বস্তা মানভেদে ২ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা, যা গত সপ্তাহে ২ হাজার ৭৫০ থেকে ২ হাজার ৯০০ টাকা ছিল।

বর্তমানে পাইকারি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আটাশ নম্বর প্রতি বস্তা ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা খুচরা বাজারে ৪২-৪৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই চালের দাম ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া পাইকারি বাজারে স্বল্প পরিমাণ স্বর্ণা রয়েছে, যা ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে স্বর্ণা (মোটা) ৪০ থেকে ৪২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

advertisement