advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনার আর্থিক অভিঘাত
তামাকপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩১ মার্চ ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২০ ০০:১৬
advertisement

তামাকপণ্যের দাম বাড়িয়ে এ থেকে প্রাপ্ত অর্থ করোনা ভাইরাসের আর্থিক অভিঘাত মোকাবিলায় ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা)। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে দেওয়া চিঠিতে বর্তমানে সিগারেটের মূল্যস্তর চারটি থেকে দুটিতে নামিয়ে দাম বাড়ানোর পাশাপাশি বিড়ি ও ধোঁয়াবিহীন তামাক পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।

চিঠিতে বলা হয়, আত্মা মনে করে এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ২০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ী ধূমপান ছেড়ে দিতে উৎসাহী হবে। দীর্ঘমেয়াদে বর্তমানে ৬ লাখ ধূমপায়ীর অকাল মৃত্যুরোধ করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত রাজস্ব অর্জিত হবে, যা দিয়ে সরকার করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি মোকাবিলায় ব্যবহার করতে পারবে। এনবিআরের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ইমেইলে এই বাজেট প্রস্তাব জমা দিয়েছে আত্মা।

জোটটির প্রস্তাবে বলা হয়, সিগারেটের মূল্যস্তর চারটি থেকে দুটিতে অর্থাৎ নিম্নস্তর ও প্রিমিয়াম স্তরে নামিয়ে আনতে হবে। নিম্নস্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ন্যূনতম ৬৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১০ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্কারোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি ৯৩ টাকা এবং ১২৩ টাকা এ দুই মূল্যস্তরকে একত্রিত করে প্রিমিয়াম স্তরে নিয়ে আসার প্রস্তাব করা হয়। অর্থাৎ প্রিমিয়াম স্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ন্যূনতম ১২৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১৯ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্কারোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়, বিড়ির ফিল্টার এবং নন-ফিল্টার মূল্য বিভাজন তুলে দিয়ে, ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ৪০ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ৬ দশমিক ৮৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্কারোপ করা এবং ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ৩২ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ৫ দশমিক ৪৮ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্কারোপের প্রস্তাব করা হয়।

অন্যদিকে ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্য যেমন জর্দা ও গুলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবও করা হয়েছে। প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৪০ টাকা ও প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ২৩ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের করতে বলা হয়েছে এবং সব তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

advertisement