advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ইতালিতে মৃত্যুহার এত বেশি কেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৩১ মার্চ ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২০ ০০:৩০
advertisement

করোনা ভাইরাসে মৃত্যুতে প্রথম দেশ হিসেবে ১০ হাজারের কোঠা ছুঁয়েছে ইতালি। হয়তো এ সংবাদ পাঠকের হাতে পৌঁছার সময় মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার টপকে যাবে। হয়তো আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে এক লাখ, যে কোটা অবশ্য সবার আগে ছুঁয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এমনকি সার্স-কভ-২ ভাইরাসের উৎপত্তিভূমি চীনে মৃত্যুসংখ্যাও ইতালির চেয়ে প্রায় তিনগুণ কম। অথচ আক্রান্তের দিক থেকে ব্যবধান মাত্র ২০ হাজারের। তাই স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠে এসেছে, ইউরোপের দেশ হয়েও কেন এত বেশি হারে লোক মারা যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইতালির মৃত্যুহার বেশি হওয়ার পেছনে একাধিক উপাদান একসঙ্গে কাজ করেছে। মূলত ভাইরাসের মুখে ঝূঁকিপূর্ণ দেশের ব্যাপক সংখ্যক বয়োবৃদ্ধ জনগোষ্ঠী ও সেখানে ভাইরাসটি পরীক্ষার চলমান পদ্ধতিতে পুরো সংক্রমণের চিত্র উঠে না আসার কথা তুলে ধরছেন তারা।

মিলানের সাকো হসপিটালের সংক্রামক ব্যাধি বিভাগের প্রধান মাসিমো গালি বলেন, করোনা ভাইরাসে নিশ্চিত শনাক্ত হিসেবে ইতালিতে যে সংখ্যা দেখানো হচ্ছে, তা সংক্রমিত পুরো জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বশীল নয়। তার ভাষায়, ‘শুধু সংক্রমণের সবচেয়ে জটিল ঘটনাগুলোকেই পরীক্ষা করা হচ্ছে, পুরো সংক্রমিত জনগোষ্ঠী নয়। এ কারণেই মৃত্যুর হার অনেক বেশি দেখাচ্ছে।’

আরেকটি কারণ হলো, জাপানের পর এই দেশে বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেশি। দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ শুক্রবার জানায়, এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়ে যারা মারা গেছেন, তাদের গড় বয়স ৭৮ বছর।

গালি বলেন, ‘নানা রোগ নিয়েও বৃদ্ধদের বাঁচিয়ে রাখতে সফল ছিল ইতালির সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। কিন্তু করোনা ভাইরাসের এমন সংক্রমণে তৈরি নাজুক অবস্থায় ভেঙে পড়ছেন তারা।’

তবু এর মধ্যেও আশাবাদী হওয়ার ঘটনা আছে। ১০১ বছর বয়সী গ্রন্ডোনা ইতালিকার কথাই ধরা যাক। তিনি সম্প্রতি ইতালির জেনোয়া শহরে ২০ দিন হাসপাতালে কাটানোর পর সুস্থ হয়েছেন। চিকিৎসকরা তাকে ‘অমর’ আখ্যা দিয়েছেন।

আক্রান্ত : ৯৭৬৮৯

সুস্থ : ১৩০৩০

মৃত্যু : ১০৭৭৯

শেষ ৫ দিনে প্রাণহানি

২৯ মার্চ : ৭৫৬

২৮ মার্চ : ৮৮৯

২৭ মার্চ : ৯১৯*

২৬ মার্চ : ৭১২

২৫ মার্চ : ৬৮৩

* বিশ্বে একদিনে সর্বোচ্চ

advertisement