advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনা চিকিৎসায় খালি করা হলেও নেই আইসিইউ

চট্টগ্রাম ব্যুরো
৩১ মার্চ ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২০ ০৭:৩৯
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল। পুরোনো ছবি
advertisement

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে কোথাও ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) নেই। ফলে রোগের সংক্রমণ হলে তার সম্ভাব্য চিকিৎসা কীভাবে হবে তা নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের উদ্বেগ রয়েছে। আপাতত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালকে রোগীশূন্য করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি আমাদের সময়কে বলেন, আইসিইউর প্রয়োজন হলে আমরা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন হাসপাতাল ব্যবহার করতে পারব বলে আশা করছি। এখনই যদি দরকার হয়, তা হলে পার্কভিউ হাসপাতালে আইসিইউ প্রস্তুত আছে। এর বাইরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল তো আছেই।

জানা যায়, করোনা রোগী যে কোনো সময় ভর্তি হতে পারে এমন প্রয়োজনীয়তা থেকে নগরীর আন্দরকিল্লায় অবস্থিত জেনারেল হাসপাতালটি রোগীশূন্য করা হয়েছে। বর্তমানে এখানে জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে আসা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে কেবল আউটডোরে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের দ্বারা যাতে অন্য কারও সংক্রমণ না ঘটে, সেজন্য এই ব্যবস্থা। আমরা জেনারেল হাসপাতালকে শতভাগ প্রস্তুত করে রেখেছি। চমেক হাসপাতালে অনেক রোগী। তাই সংক্রমণের শঙ্কা থেকে আপাতত সেখানে রোগী নেওয়ার ইচ্ছে নেই।

এ দিকে গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠকে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, এ মুহূর্তে সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো চট্টগ্রামে করোনা রোগীদের জন্য কোনো আইসিইউ নেই। আবার প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল দুইটি করে আইসিইউ দেবে বলে কথা দিয়েছে। কিন্তু তারাও মনে করছে এটা তাদের জন্য সমস্যা হতে পারে। তারা কোভিড-১৯ ভাইরাস সংক্রমণের শঙ্কা প্রকাশ করেছে। এ অবস্থায় এখনো চট্টগ্রামে বিদেশ থেকে লোক আসছে। আজ (সোমবার) এসেছে লন্ডন থেকে। তিনি হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনের খোঁজ রাখার জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের প্রতি অনুরোধ জানান।

চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ১৫ জনের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে কারও করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি যাতে অবনতি না হয় সেজন্য নির্বাহী প্রশাসন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও চসিক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কাজ করছে। চসিক নগরীর সড়কগুলোতে জীবাণুনাশক পানি ছিটাচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনকে নিয়মিত তদারক করছে বলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন।

advertisement