advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পিপিই নেই, হেলমেট-রেইনকোটেই লড়ছেন ভারতীয় চিকিৎসকরা

অনলাইন ডেস্ক
৩১ মার্চ ২০২০ ২১:৩৩ | আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২০ ২১:৪৩
ভারতীয় এক চিকিৎসকের ব্যবহৃত ছেড়া রেইনকোর্ট। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

ভারতে পর্যাপ্ত ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রীর (পিপিই) অভাবে দেশটির কিছু চিকিৎসক রেইনকোট এবং মোটরবাইকের হেলেমেট পরেই করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সর এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।

এদিকে গতকাল সোমবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পিপিই সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ঘাটতি পূরণের জন্য ভারত স্থানীয়ভাবে এবং চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে পিপিই সংগ্রহের চেষ্টা করছে।

করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন এমন এক ডজনেরও বেশি চিকিৎসক রয়টার্সকে বলেন, পর্যাপ্ত মুখোশ এবং পিপিই ছাড়া চিকিৎসা দেওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন। এমনকি এই ভাইরাসের বাহকও হতে পারেন তারা।

ভারতে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন অন্তত ১ হাজার ২৫১ এবং মারা গেছেন ৩২ জন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামী মে মাসের মাঝের দিকে ভারতে ১ লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। এর ফলে দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের ওপর মারাত্মক চাপ তৈরি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। গত সপ্তাহে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের বেলঘাটা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা প্ল্যাস্টিকের রেইনকোট পরে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। এই হাসপাতালের দুজন চিকিৎসক রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং রয়টার্স চিকিৎসকদের রেইনকোট পরার ছবি দেখতে পেয়েছে।

বেলঘাটা হাসপাতালের একজন চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা আমাদের জীবনের বিনিময়ে কাজ করব না।’ কর্তৃপক্ষ প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে-এমন আশঙ্কায় নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, রাজধানী নয়াদিল্লির উত্তরাঞ্চলের হরিয়ানা প্রদেশের ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসক সন্দ্বীপ গর্গ জাননা, এন-৯৫ মাস্ক না থাকায় তিনি মোটরসাইকেলের হেলমেট পরে রোগীদের চিকিৎসা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি একটি হেলমেট পরেছিলাম। এর সামনে একটি মুখাবরণ রয়েছে, যা আমার মুখ ঢেকে রাখে। এর পাশাপাশি সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করি।’

রয়টার্স এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নয়াদিল্লির ফেডারেল সরকারের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এখন শুধুমাত্র প্রার্থনা করে বেঁচে আছি। এটা এমন নয় যে, আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে আমরা বাঁচতে পারব।’

advertisement
Evall
advertisement