advertisement
advertisement

১০ হাজার অসহায় মানুষের পাশে পিএইচপি

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১ এপ্রিল ২০২০ ০০:৩৪
advertisement

চলমান দুঃসময়ে ১০ হাজার অসহায় ও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে পিএইচপি ফ্যামিলি। চট্টগ্রাম ও বৃহত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে এসব পরিবারের মাঝে আজ থেকে আগামী এক সপ্তাহ খাদ্যপণ্য বিতরণ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে একুশে পদকপ্রাপ্ত সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বৈশি^ক এ দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ২ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, করোনা মহামারী প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে। দল ও মত নির্বিশেষে অসহায়দের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতাই পারে করোনা প্রতিরোধ করতে।

এদিকে নগরীর সাগরিকায় অবস্থিত প্রোটন গাড়ির কারখানায় চলছে অসহায় পরিবারের জন্য খাবারের প্যাকেজিং কাজ। গতকাল মঙ্গলবার কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, প্রকৌশলী থেকে শুরু করে গাড়ি উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মীরা নেমে পড়েছেন কাজে। সকাল থেকে বিরামহীনভাবে শুকনো খাদ্য আলাদাভাবে ব্যাগে ভরে সেগুলো একটি নির্দিষ্ট বড় কার্টনে পুরছেন। এই কাজে অভিজ্ঞতা না থাকলেও মানুষের জন্য কিছু করার মানসিকতা থেকে তারা এসব করছেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। কারখানায় সার্বক্ষণিক অবস্থান করে পিএইচপি অটোমোবাইলের

ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতার পারভেজ এ প্যাকেজিং কাজের তদারক করছেন।

আখতার পারভেজ এ প্রতিবেদককে বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগের ধাক্কা আমাদের দেশেও এসে লেগেছে। এ সময় কারখানায় গাড়ি উৎপাদন বন্ধ রেখে তা মানবসেবায় রূপান্তর করেছি। কারখানাকে বানিয়েছি আপাতত খাবারের গুদাম। এখানে চলছে খাবার প্যাকেজিংয়ের কাজ। প্যাকেজিং শেষ হলে দ্রুত অভাবগ্রস্তদের মাঝে তা পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, মানবসেবার এই কাজ অব্যাহত রাখবে পিএইচপি ফ্যামিলি।

জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে এসব শুকনো খাবার গরিব জনগণের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। এসব খাবারের তালিকায় থাকছে চাল, ডাল, লবণ, ভোজ্যতেল ও আলু। ঘরবন্দি মানুষের জন্য অনিবার্য খাবারগুলোই বিতরণের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সূফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে সরকার এ বছর একুশে পদকে ভূষিত করেছে। একুশে পদকের সঙ্গে প্রাপ্ত অর্থ ইতোমধ্যে তিনি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসায় দিয়ে দিয়েছেন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালকের হাতে এ অর্থ হস্তান্তর করা হয়।

advertisement