advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনাবন্দি রাজধানীবাসী ডেঙ্গু নিয়ে উৎকণ্ঠায়
দুই সিটি করপোরেশনকে এখনই সক্রিয় হওয়া জরুরি

১ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ১ এপ্রিল ২০২০ ০০:৪৩
advertisement

করোনার জন্য ঘরবন্দি সময়ে মশার উপদ্রব বাড়ার বিষয়টি আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। গত বছর মার্চের শেষদিকে রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ঘটে। তা পরে দেশের প্রতিটি জেলায় মহামারীর মতো ছড়িয়ে যায়। ওই প্রকোপ ছিল নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল যে, হাসপাতালগুলোর ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে যায়। মেঝে, বারান্দা বা যেখানে একটু ফাঁকা পাওয়া যায়, সেখানেই শয্যা পেতে আশ্রয় নেন রোগীরা। তিক্ত ওই অভিজ্ঞতার পরও এ বছর এ পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। করোনা নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নগরজুড়ে মশার ওষুধ ছিটানো বন্ধপ্রায়। যেখানে প্রতিদিন সকাল-বিকাল দুবার ওষুধ ছিটানোর পরও মশার যন্ত্রণা থেকে নিস্তার মেলা ভার। সেখানে সিটি করপোরেশনের মশকনিধন কর্মীদের তৎপরতা কদাচিৎ চোখে পড়ছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মশার উৎপাত বেড়ে গেছে।

ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া সাধারণভাবে প্রাণঘাতী রোগ না হলেও এর ভয়াবহতা ব্যাপক। ডেঙ্গু একটি সংক্রামক ব্যাধি। সাধারণত প্রচ- জ্বর হয়, সেই সঙ্গে শরীরে, বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি, মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা হয়। পুরোপুরি সুস্থ হতেও বেশ সময় লাগে। সামনের সময়টাতে এডিস মশার বিস্তার ও প্রজননের সবচেয়ে অনুকূল সময়। ফলে সতর্ক হওয়ার এখনই সময়। গত বছরের মতো পরিস্থিতি যেন আবার তৈরি না হয়, সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। বলার অপেক্ষা রাখে না, করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গু থেকে রাজধানীবাসীকে বাঁচাতে হলে এডিস মশা নিধনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নাগরিক সচেতনতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এডিস মশা সাধারণত বাসাবাড়িতে ফুলের টব, টায়ার, ফ্রিজ, এসিতে জমে থাকা পানিতে জন্মায়। এসব পরিষ্কারে নগরের প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে। নিজ বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। মশার ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি ঘুমানোর সময় প্রয়োজনে মশারি টানাতে হবে।

advertisement