advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তিন জেলায় বন্দুকযুদ্ধে বনদস্যুসহ নিহত ৩

পাবনা, দিনাজপুর, মোংলা ও বিরামপুর প্রতিনিধি
১ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ১ এপ্রিল ২০২০ ০০:৪৫
advertisement

সুন্দরবনে গতকাল মঙ্গলবার সকালে র‌্যাব ও বনদস্যুদের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দস্যু ফারুক বাহিনীপ্রধান ফারুক মোড়ল নিহত হয়েছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছে দুই র‌্যাব সদস্য। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি দেশি পাইপগান, কয়েকটি রামদা এবং বেশ কয়েক রাউন্ড তাজা গুলি। নিহত ফারুক মোড়ল খুলনার দাকোপ উপজেলার কালাবগি এলাকার আকবর মোড়লের ছেলে।

এ ছাড়া গত সোমবার গভীর রাতে পাবনার সাঁথিয়া এবং গতকাল ভোরে দিনাজপুরের বিরামপুরে পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন নিহত হয়েছে। পুলিশ নিহত একজনকে ডাকাত ও অন্য জনকে মাদককারবারি বলে দাবি করেছে।

র‌্যাব ৬-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল রওশন ফিরোজ জানান, পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই (মোংলার) রেঞ্জের কোদাল্লিয়া খালে গভীর রাতে বনদস্যু ফারুক বাহিনী জেলেদের জিম্মি করে ভ্রাম্যমাণ ব্যাংকিং এজেন্টের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করছিল। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা ওই এলাকায় অভিযান শুরু করেন। গতকাল সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটের সময় র‌্যাব সদস্যরা কোদাল্লিয়া খাল এলাকায় পৌঁছালে দস্যুরা তাদের ওপর গুলি ছুড়তে থাকে। র‌্যাব সদস্যরা পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলা বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে বাহিনীপ্রধান ফারুক গুলিবিদ্ধ হন। এ সময় বাকি দস্যুরা বনের গহিনে পালিয়ে যান। ফারুককে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে সাঁথিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সরোয়ার ওরফে সরো ওরফে শাহীন আলম নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। গত সোমবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সরোয়ার আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার এবং হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। তার বাড়ি উপজেলার পুন্ডুরিয়া গ্রামে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

এদিকে বিরামপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফেরদৌস ফাহিম নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। গতকাল ভোরে উপজেলার মিরপুর মাঠের পাশে একটি বাগানে এ ঘটনা ঘটে। একই ঘটনায় পুলিশের দুই এসআই ও এক কনস্টেবল আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১টি পাইপগান, ৩ রাউন্ড, ৩টি গুলির খোসা, ১টি হাঁসুয়া, ২টি ছোরা, ১০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

বিরামপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক ওসি মনিরুজ্জামান মনির জানান, ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে একদল কারবারি মাদকদ্রব্য নিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুর মাঠের পাশে একটি বাগানে অবস্থান নেয় পুলিশ। টের পেয়ে মাদককারবারিরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি চালিয়ে এক ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়। পরে লাশটি মাদক চোরাকারবারি ফেরদৌস ফাহিমের বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়। ফেরদৌস বীরগঞ্জ উপজেলার নীজপাড়া ইউনিয়নের আওয়ালকুড়ি গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে।

advertisement