advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সমালোচনার মুখে বিজিএমইএ সভাপতি
অডিও বার্তায় গার্মেন্টস বন্ধ রাখার অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৫ এপ্রিল ২০২০ ০৯:১৬
বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে সরকার। এ সময়কাল পর্যন্ত জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে। সঙ্গত কারণেই বন্ধ আছে যাত্রীবাহী যান চলাচলও। এতে পুরো দেশ কার্যত লকডাউন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষকে বাইরে বের হতে দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দেশের এমন পরিস্থিতিতে সবকিছু উপেক্ষা করে গতকাল হঠাৎ ঢাকামুখী হন লাখো মানুষ। তাদের অধিকাংশই পোশাক শ্রমিক। ছুটি শেষে আজ খুলবে দেশের সব গার্মেন্টস। কর্মস্থলে যোগ দিতে তাই এমন ঢল দেখা গেছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) প্রেসিডেন্ট রুবানা হক। অবশ্য দিনভর পোশাকশ্রমিকদের ঢাকায় ফেরার ঢলশেষে রাতে তিনি সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক অডিওবার্তায় গার্মেন্ট মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ রাখতে।

দেশে করোনা মহামারী ঠেকাতে গত ২৬ মার্চ থেকে সব অফিস-আদালতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।
তবে পোশাক কারখানার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত দেয়নি সরকার। কিন্তু বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ অধিকাংশ কারখানা বন্ধের ঘোষণা দেয়। ফলে অনেক পোশাকশ্রমিক বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু শনিবার ও রবিবার পোশাক কারখানা খুলবে এমন সংবাদে গত দুদিন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ঢাকার পথে রওনা করেন অনেক শ্রমিক। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় তাদের কেউ ট্রাকে করে, কেউবা পিকআপের খোলা ছাদে করে ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে ফেরেন। কেউ কেউ তা-ও না পেয়ে হেঁটেই রওনা হন।

অডিও বার্তায় ড. রুবানা বলেন, ‘আমাদের কয়েকটি জায়গা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর আমাদের যে সার্কুলার দিয়েছে তাতে স্পষ্ট করে লেখা আছে, যেসব রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা পিপিই বানাচ্ছেন এবং যাদের উৎপাদন চলমান আছে, সেসব মালিকরা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিতকরণ সাপেক্ষে শিল্প কলকারখানা চালু রাখতে পারবেন। সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলোÑ কীভাবে আমাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা দেব। এটাই প্রথম। ‘আর দ্বিতীয়টি হলো, মার্চ মাসের বেতন নিয়ে। মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনো রকম অনীহা, অনাগ্রহ প্রকাশ করা যাবে না। আমরা বেতন দেব যত কষ্ট হোক, যাই হোক। বেতন দেব, ইনশাআল্লাহ। তৃতীয়টি হলো, শ্রমিকদের উপস্থিতির বিষয়। কোনো শ্রমিক কোনো সঙ্গত কারণে বা কোনো কারণে যদি কারখানায় উপস্থিত না থাকেন, তা হলে মানবিক বিবেচনায় তার চাকরিটি হারাবেন না। এটুকু আমাদের প্রত্যেক সদস্যের কাছে অনুরোধ করব।’
সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে অডিওবার্তায় কারখানা মালিকদের প্রতি অনুরোধ করেন ড. রুবানা হক।

advertisement
Evall
advertisement