advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হোটেল ব্যবসার ক্ষতি ঠেকাতে বিহার সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ এপ্রিল ২০২০ ০২:৫৬ | আপডেট: ৫ এপ্রিল ২০২০ ০২:৫৬
advertisement

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করায় বন্ধ রয়েছে বিদেশি অতিথি আসা। স্থগিত করা হয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনফারেন্স। এতে করে স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের হোটেল ব্যবসা। বিশাল ক্ষতির মুখে পর্যটনশিল্প। এ অবস্থায় আর্থিক প্রণোদনাসহ সরকারের কাছে বেশকিছু সুপারিশ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন (বিহা)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিহার পক্ষ থেকে বলা হয়, বিশ্বে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বিদেশি অতিথিদের আসা বন্ধ রয়েছে। এতে করে এ দেশে পর্যটনশিল্প তথা আন্তর্জাতিক পাঁচ তারকা চেইন হোটেল এবং তারকা সম্পন্ন হোটেলগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন। কোনো কোনো হোটেলে
অতিথির সংখ্যা ১ থেকে ২ শতাংশ। আবার কিছু হোটেল অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন হয়ে গেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে হোটেল কর্তৃপক্ষের পক্ষে তাদের কার্যক্রম চলানো সম্ভব নয়।
ধারণা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী জুন পর্যন্ত বিহার অন্তর্ভুক্ত এবং অন্যান্য আরও ৫০০টি হোটেলের ক্ষতির পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে তিন হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে এ শিল্পের সঙ্গে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক জনবল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। কিন্তু চলমান পরিস্থিতিতে স্থায়ী-অস্থায়ী লক্ষাধিক শ্রমিক ও কর্মচারী চাকরিচ্যুত কিংবা মাসিক বেতন থেকে বঞ্চিত হবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বিশ্বায়নের যুগে বর্তমান সরকার যেসব সেক্টরগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ‘ভিশন ২০২১’ থেকে উন্নয়নকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এর মধ্যে হোটেল তথা পর্যটনশিল্প অন্যতম। তাই বর্তমান এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং তার বিশেষ তহবিল থেকে অনুদানের জন্য অর্থমন্ত্রী ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বিহার অন্তর্ভুক্ত হোটেলকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বেতন হিসেবে প্রতি মাসে প্রত্যেক শ্রমিক ও কর্মচারীকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান; হোটেলের মাসিক বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিল এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার ওপর আয়কর মওকুফের সুপারিশ করা হয়েছে।

advertisement
Evall
advertisement