advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম
বাস্তবায়নই মূল চ্যালেঞ্জ

আবু আলী
৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫১
advertisement

করোনা ভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় বেশকিছু উদ্দীপনা প্যাকেজসহ সরকারের পক্ষ থেকে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার সার্বিক একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই প্রণোদনা প্যাকেজকে সময়োপযোগী মনে করেছেন বিশ্লেষকরা। তবে এর বাস্তবায়নই মূল চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য তাদের। এ ব্যাপারে গতকাল বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্ট ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম আমাদের সময়কে

দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিানা ঘোষিত প্যাকেজে দেশের সব মানুষের কথা বলা হয়েছে। নিঃসন্দেহে ঘোষিত প্যাকেজ করোনা মোকাবিলায় অর্থনীতিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। তিনি বলেন, বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্প সুদে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দেওয়ার লক্ষ্যে ৩০ হাজার কোটি টাকার একটি ঋণ সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ঋণ সুবিধার সুদের হার হবে ৯ শতাংশ। ঋণের সুদের অর্ধেক অর্থাৎ ৪.৫০ শতাংশ ঋণ গ্রহীতা শিল্প/ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিশোধ করবে এবং অবশিষ্ট ৪.৫০ শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে দেবে। তবে ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটে রয়েছে। তারা কীভাবে বাস্তবায়ন করবে তা দেখা দরকার। কারণ বাস্তবায়ন করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া এ সুবিধা কাদের দেওয়া হবে, সে ক্ষেত্রে যৌক্তিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি যাতে পায় সেদিকে নজর দিতে হবে। তা না হলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত হবেন, আর লাভবান হবেন অন্যরা। যদিও প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়েছেন।

মির্জ্জা আজিজুল বলেন, প্যাকেজে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণ, দিনমজুর এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি করার কথা বলা হয়েছে। অনানুষ্ঠানিক খাতের এসব মানুষকে কীভাবে এ সুবিধা দেওয়া যায় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

advertisement
Evall
advertisement