advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫১
advertisement

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে পরবর্তী সরকারি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত সাধারণ জনগণকে ঢাকায় প্রবেশ অথবা ঢাকা ত্যাগ করতে দেওয়া হবে না। গতকাল রবিবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) সোহেল রানা আমাদের সময়কে আইজিপির এমন নির্দেশনার বিষয়টি জানিয়েছেন।

পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারের ছুটি ও পদক্ষেপ বাস্তবায়নে গুরত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ। তবে গার্মেন্টস কারখানা খোলার খবরে গত শনিবার সারাদেশ থেকে রাজধানী অভিমুখে শ্রমজীবী মানুষের ঢল নামে। দিনভর হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ হেঁটে ও বিভিন্ন মাধ্যমে রাজধানীতে আসতে থাকেন। ফলে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার নির্দেশনা মুখ থুবড়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে রাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল রাজধানীমুখী মানুষের ঢল থামাতে পুলিশকে নির্দেশ দেন। এ পরিপ্রেক্ষিতেই

গতকাল পুলিশের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা এলো।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি-মিডিয়া সোহেল রানা আমাদের সময়কে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং জনগণের ঘরে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। জনগণের জীবন যাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য যে কোনো জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত এককভাবে বা দলবদ্ধভাবে বাইরে ঘোরাফেরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরবর্তী সরকারি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জরুরি সার্ভিস ব্যতীত সাধারণ জনগণকে ঢাকায় প্রবেশ অথবা ঢাকা ত্যাগ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কাজে সহযোগিতা করার জন্য দেশের সব সম্মানিত নাগরিক এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছে।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় প্রথমে সরকার গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। পরে এ ছুটির মেয়াদ ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। গতকাল ছুটির মেয়াদ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত আবার বাড়ানো হয়। করোনা ভাইরাসে ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে মানুষের জনসমাগম ও অপ্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হওয়া ঠেকাতে মাঠে নামানো হয় সেনাবাহিনীকে। এরই মধ্যে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি খোলার খবরে শনিবার রাজধানী অভিমুখে শ্রমজীবী মানুষের ঢল নামে। যদিও পরে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত গার্মেন্টস বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এদিকে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী একাধিক কর্মকর্তা আমাদের সময়কে জানান, ঢাকা মহানগরীতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও মাঠে আছেন। সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকেই রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোয় পুলিশের তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। আইজিপির এই নির্দেশনার পর এই কার্যক্রমে আরও বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে।

পুলিশের উত্তরা বিভাগের ডিসি নাবিদ কামাল শৈবাল আমাদের সময়কে বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযাযী আমরা আগে থেকেই কাজ করছি। ঢাকার প্রবেশমুখে আগে থেকেই আমরা চেকপোস্ট বসিয়ে আমাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছি। কেউ অপ্রয়োজনে বাইরে আছে কিনা, অপ্রয়োজেন ঢাকার বাইরে কেউ যাচ্ছে কিনাÑ এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি।

advertisement