advertisement
advertisement

দিল্লিতে তবলিগ জামাতে থাকা ১২ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা

আমাদের সময় ডেস্ক
৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫১
advertisement

করোনা মহামারীর মধ্যেই ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির মারকাজ নিজামুদ্দিনের তবলিগ জামাতে অংশ নেওয়া ১২ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা করেছে দেশটির উত্তরপ্রদেশ রাজ্য পুলিশ। এই বাংলাদেশিরা দিল্লির ওই জামাতে অংশ নিয়ে গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে উত্তরপ্রদেশের শামলি জেলার একটি মসজিদে অবস্থান করছিলেন। তাদের মধ্যে অন্তত দুজন ইতোমধ্যেই করোনা ভাইরাস পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। বাকিদের পরীক্ষার ফলের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। শামলির পুলিশপ্রধান

ভিনিত জয়সোয়াল বিবিসিকে জানিয়েছেন, পর্যটক ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশের পর এই বাংলাদেশিরা বেআইনিভাবে ধর্মীয় কর্মকা-ে অংশ নিয়েছেন। এ কারণেই তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। তাদের মধ্যে যে দুজন বাংলাদেশি করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন, তাদের এখন রাখা হয়েছে ঝিনঝিনার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আইসোলেশন ওয়ার্ডে। তারা ছাড়াও ভারতের আসামের বাসিন্দা আর একজন তবলিগ সদস্যও করোনা আক্রান্ত হয়ে একই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি আছেন। বাকি ১০ বাংলাদেশিকে নিকটবর্তী ভাওয়ান শহরের একটি সরকারি কলেজ ভবনে প্রশাসনিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

দিল্লিতে তবলিগ জামাতের সদর দপ্তর ‘বাংলাওয়ালি মসজিদ’ বা ‘মারকাজ নিজামুদ্দিনে’ মার্চ মাসের ওই জামাত নিয়ে ভারতে এখন বিতর্কের ঝড় বইছে। ওই জামাতকে ভারত সরকার ইতোমধ্যেই দেশটিতে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর অন্যতম প্রধান হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ওই জামাতে অংশ নিয়ে তবলিগের শত শত সদস্য, যার মধ্যে ভারতীয়রা ছাড়াও আরও অন্তত ২০টি দেশের নাগরিকও ছিলেন।

এদিকে মহারাষ্ট্রের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার (এমএনএস) নেতা রাজ ঠাকরে ভারতে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর জন্য সরাসরি তবলিগ কর্মীদের আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার মতে এদের সোজা গুলি করে মারা উচিত। এমনকি এই অসভ্য লোকগুলোকে কোনো চিকিৎসাও দেওয়া উচিত নয়।’

advertisement