advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনার উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে মৃত্যু আরও ৫

আমাদের সময় ডেস্ক
৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫১
advertisement

করোনা ভাইরাসের উপসর্গ সর্দি-জ্বর, মাথাব্যথা, কাশি, পাতলা পায়খানা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রবিবার সকালে তার মৃত্যু হলেও গত শনিবার রাত থেকেই সাতটি পরিবারকে লকডাউন করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে

বলে জানান আমাদের দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শাহীনুর আলম সুমন বলেন, ‘ওই বৃদ্ধকে রবিবার আইসোলেশন সেন্টারে নিয়ে আসার কথা ছিল, এর মধ্যেই সকালে তিনি মারা যান। আমরা তার নমুনা সংগ্রহ করে করোনা টেস্টের জন্য ঢাকায় আইইডিসিআরে পাঠিয়েছি। রিপোর্ট আসার আগ পর্যন্ত ওই বাড়ির সাত পরিবারকে লকডাউন করা হয়েছে।’

নেত্রকোনা : পূর্বধলার হুগলা কালীহর জোয়ারদারপাড়া এলাকায় জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট ও পাতলা পায়খানা নিয়ে এক নারী (৫০) মারা গেছেন। গতকাল রবিবার ভোরে তিনি নিজ বাড়িতে মারা যান। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় অন্তত আটটি বাড়ি লকডাউন করে দেয় প্রশাসন। সেই সঙ্গে ওই নারী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কিনা, পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পূর্বধলা থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মাদারীপুর : করোনার উপসর্গ নিয়ে মাদারীপুরের কালকিনিতে গতকাল রবিবার ভোরে এক ব্যক্তির (৫০) মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি গ্রামবাসীর। খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ঘটনাস্থলে যান। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আল বিধান মো. সানাউল্লাহ বলেন, ওই ব্যক্তির জ্বর ও গলাব্যথা ছিল না। তিনি মূলত স্ট্রোক করে মারা গেছেন।

শরীয়তপুর : ৯০ বছরের এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ৩৩ পরিবারকে লকডাউনে রাখা হয়েছে। গত শনিবার ওই ব্যক্তি জ্বর ও মাথাব্যথা নিয়ে ঢাকার কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নড়িয়া থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) : জ্বর ও সর্দিতে অসুস্থ হয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় গতকাল দুপুরে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তবে করোনা আতঙ্কে কেউই তার কাছে যাচ্ছেন না। এমনকি পরিবারের লোকজনও না। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পলাশ কুমার সাহা অবশ্য বলেন, জ্বর ও শ্বাসকষ্টের কারণে মৃত্যু হওয়ায় বৃদ্ধার বাড়িতে লোক পাঠিয়েছিলাম। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি বহুদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। কয়েকদিন আগে ফ্রিজের ঠা-া পানি পান করার পর জ্বরে আক্রান্ত হন। এতেই তিনি মারা যান।

advertisement