advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জব্বারের বলীখেলার ১১১তম আসর স্থগিত

চট্টগ্রাম ব্যুরোা
৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫১
advertisement

করোনা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের শতবছরের ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলার ১১১তম আসর স্থগিত করেছে আয়োজক কমিটি। গতকাল রবিবার আয়োজক কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিবছর ১২ বৈশাখ এই মেলা বসে। ১৯০৯ সালে শুরু হওয়ার পর থেকে জব্বারের বলীখেলা একবারের জন্যও বন্ধ হয়নি। এবারই ব্যতিক্রম ঘটল।

জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলার আয়োজক কমিটির সভাপতি ও আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী আমাদের সময়কে বলেন, ঐতিহাসিক এ আয়োজন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। করোনা পরিস্থিতির উদ্বেগজন অবস্থায় বাঙালির একমাত্র অসাম্প্রদায়িক উৎসব বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠানও স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একমত পোষণ

করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

জহরলাল হাজারী বলেন, আয়োজনের পর থেকে একবারের জন্য এই খেলা বন্ধ থাকেনি। তবে সার্বিক বৈশ্বিক এবং দেশীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় দুঃখজনকভাবে আমাদের এ বছর আয়োজন স্থগিত করতে

হচ্ছে।

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে দেশের যুবসমাজকে সংগঠিত করতে স্থানীয় বদরপাতি এলাকার আবদুল জব্বার সওদাগর ১৯০৯ সালে নগরীর লালদীঘি মাঠে কুস্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। পরে সেই আয়োজন আব্দুল জব্বারের বলীখেলা নামে পরিচিত হয়। প্রতিবছর বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে বৈশাখ মাসের ১২ তারিখে লালদীঘির মাঠে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলার আগের ও পরেরদিন পর্যন্ত তিনদিন ধরে লালদীঘির মাঠ ও আশপাশের কয়েক কিলোমিটার জায়গাজুড়ে বসে বৈশাখী মেলা। মেলায় বিভিন্ন ধরনের পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা দোকানিরা।

গত ৩১ মার্চ গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে দেশের জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের বাংলা নববর্ষে জনসমাগম করে কোনো অনুষ্ঠান না করার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরদিন তিন পার্বত্য জেলার বৈসাবিসহ বাংলা নববর্ষের সব ধরনের অনুষ্ঠান স্থগিতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

advertisement