advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পোশাক শ্রমিকদের আসতে বাধ্য করায় উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫১
advertisement

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি ছুটি বাড়ানো এবং সব গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হলেও ৫ এপ্রিল পোশাক কারখানা খোলার সিদ্ধান্তে শ্রমিকদের ভোগান্তির দৃশ্য ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। পরে সমালোচনার মুখে এ সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। হাজার হাজার শ্রমিক ও তার পরিবারের জীবন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে আইন ও সালিশকেন্দ্র (আসক)। আসক মনে করে, এমন অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তে শ্রমিকদের নিরাপত্তার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যও মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলা হয়েছে।

আসক জানায়, করোনা ভাইরাসের মহামারী ঠেকাতে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাকে

সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অথচ তৈরি পোশাক কারখানার মতো একটি কর্মক্ষেত্র যেখানে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা অসম্ভব, সেখানে কারখানা খোলার রাখার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ও সরকারের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ ঘটনার মাধ্যমে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও জীবনের প্রতি চূড়ান্ত অবহেলার বহির্প্রকাশ ঘটিয়েছে। বিজিএমইএ থেকে পরে কারখানা মালিকদের কারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। এ আহ্বান আরও আগে জানালে শ্রমিকদের এ ভোগান্তি ও ঝুঁকি এড়ানো যেত।

আসক আরও উল্লেখ করে, এ জরুরি পরিস্থিতিতে সরকারের বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা সত্ত্বেও মালিক কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন ও চাকরিসংক্রান্ত আশঙ্কা দূর করে তাদের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকার মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে সরকারি ছুটি অনুযায়ী কারখানা বন্ধ রাখা নিশ্চিত করতেও ব্যর্থ হয়েছে। আসক সরকারের কাছে মালিকপক্ষকে সরকারি ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব কারখানা বন্ধ রাখার এবং বন্ধ চলাকালীন মজুরি প্রদান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

advertisement