advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

খুলনায় ফোনকলের ভিত্তিতে ঘরে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা
৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫৪
advertisement

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ‘ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন’ স্লোগানে খুলনায় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জনসাধারণকে বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একান্ত দরকার না হলে ঘরের বাইরে যাওয়া নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

করোনা ভাইরাসের পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, হোম কোয়ারেন্টিন ও সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং মেনে চলার জন্য জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিদেশ ফেরতসহ জনসাধারণের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে সেনা সদস্যসহযোগে টহল দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, জনসাধারণকে ওয়াজ মাহফিল বা নামযজ্ঞের মতো ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো আয়োজনে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এমন অতিরঞ্জিত সংবাদ প্রচারে গণমাধ্যমকে সচেতন থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিংয়ের উদ্দেশ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি কেউ যাতে খাদ্য মজুদ করে রাখতে না পারে, এদিকেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসক বলেন, করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণের জন্য আমরা পিসিআর মেশিন স্থাপন করেছি। পর্যাপ্ত কিটসও এসে গেছে। অচিরেই আমরা পরীক্ষা শুরু করতে পারব। ভাইরাস মোকাবিলায় যারা অগ্রজসৈনিকÑ সেই ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য আমরা পিপিইসহ সুরক্ষা উপকরণের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের পরিচর্যায় বিভাগ, জেলা, উপজেলায় আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে যথাক্রমে ৩০০, ২০০ ও ১০০ শয্যার কোয়ারেন্টিন ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া যথাক্রমে ২০০, ১০ ও ৫ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট (পৃথক রেখে নিবিড় পরিচর্যা) স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঘোষিত ‘ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন’-এর কারণে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেনÑ সেসব অসহায়, দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষকে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। এখনো যারা জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা পাননি এবং বিশেষভাবে নি¤œ-মধ্যবিত্ত শ্রেণিরÑ যারা জনসমক্ষে দাঁড়িয়ে ত্রাণ নিতে সংকোচ বোধ করেন, তাদের জন্য পৃথক খাদ্য সহায়তা প্রদান কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। ‘বেসরকারি মানবিক সহায়তা সেল’ গঠন করে ফোনকল, এসএমএস, ইমেইলের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাদের ঘরে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। জনসমাগম পরিহার করে এ কাজ করার জন্য প্রায় ৩০০ ভলান্টিয়ার কাজ করছেন।

advertisement
Evaly
advertisement