advertisement
advertisement

আয় বন্ধ হওয়া সব অসহায় পরিবার সহযোগিতা পাচ্ছে

মাতুব্বর শফিক স্বপন মাদারীপুর
৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫৪
advertisement

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কর্মসূচির কারণে প্রায় লকডাউন হওয়া মাদারীপুরের সব দোকানপাটই বন্ধ। ফাঁকা রাস্তাঘাট। লোকজন নেই কোথাও। বন্ধ হয়ে গেছে স্বল্প আয়ের মানুষের রোজগার। পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে তারা। তাকিয়ে আছে সরকার বা কারও সাহায্যের দিকে। এ অবস্থায় আয়-রোজগার বন্ধ হওয়া প্রতিটি পরিবারকে খাবারসহ সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। গত শনিবার আমাদের সময়কে এ কথা জানান তিনি।

জেলা প্রশাসক বলেন, মাদারীপুরের অভাবী মানুষগুলোকে সাহায্যের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। যারা দিন আনে দিন খায় তাদের রোজগার বন্ধ হয়ে গেলে আনাহারী হয়ে পড়ে পুরো পরিবার। তাদের সাহায্য করার জন্য জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিয়েছি। যাতে সঠিকভাবে খাবার সহযোগিতা পায়। গরিবদের হক যারা আত্মসাৎ করবেন প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। এখানে কোনো ধরনের শৈথিল্য আমরা প্রদর্শন করব না। আমরা এখানে সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তা হোক বা জনপ্রতিনিধি হোক, এ অবস্থায় সর্বোচ্চ সতর্ক আছি। আমি মনে করি সবার সক্রিয় সহযোগিতায় গরিব মানুষগুলোকে এই সময়ে তাদের এই কঠিন সময়টা পার করার জন্য আমরা চেষ্টা করব। আল্লাহর সহায়তায় তারা সবাই এই সময়টা অতিক্রম করতে পারবেন। তিনি এই অভাবী মানুষদের বাঁচাতে সরকারের পাশাপাশি জেলার বিত্তশালীদের এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান।

সারাবিশ্ব যখন করোনা আতঙ্কে অস্থির তখন মাদারীপুরের স্বল্প আয়ের মানুষগুলো ভুগছে খাদ্য আতঙ্কে। সরকারের নির্দেশনা মেনে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে জেলার বেশিরভাগ মানুষই এখন নিজেদের স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি করে রেখেছে। রাস্তায় লোকজন নেই, চলছে না তেমন কোনো যানবাহন। এরই সঙ্গে বন্ধ হয়ে গেছে স্বল্প আয়ের মানুষের রোজগার। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে তারা। আর এভাবে চলতে থাকলে বা কোনো সাহায্য না পেলে এ মানুষগুলোকে থাকতে হবে অনাহারে। কীভাবে ছোট ছোট সন্তানসহ পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেবে তা নিয়ে দিশাহারা তারা। আতঙ্কে কাটছে তাদের দিন।

advertisement