advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনি করোনায় আক্রান্ত

অনলাইন ডেস্ক
৬ এপ্রিল ২০২০ ১৯:০৮ | আপডেট: ৬ এপ্রিল ২০২০ ১৯:০৮
advertisement

কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির চিকিৎসা কেন্দ্রের চিকিৎসক ডেভিড বাচহোল এবং ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক উইলিয়াম হিলম্যান করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সেসব জেনে নিতে পারেন :

করোনাভাইরাসে এরই মধ্যে কেউ আক্রান্ত হয়েছে কি না, তা জানার উপায় কী?

ডা. উইলিয়াম হিলম্যান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দেব না। আপনি কেবল অসুস্থ হওয়ার লক্ষণ দেখলে পরীক্ষা করাবেন। এ জন্য করোনার লক্ষণগুলো দেখে নিজের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন।’

তবে অন্য গবেষকরা এরই মধ্যে জানিয়েছেন, জিহ্বায় স্বাদ না থাকা এবং গন্ধ নেওয়ার অনুভূতি চলে যাবে করোনা আক্রান্ত হলে। সেই সঙ্গে জ্বর, কাশি ও গলাব্যথা থাকতে পারে। এমনকি শ্বাসকষ্টও হতে পারে।

আমার কি করোনা হতে পারে?

হিলম্যান বলেন, ‘যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে তাদের মধ্যে ঠাণ্ডাজনিত রোগ, বিশেষ করে সর্দি-কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট দেখা যাচ্ছে। জ্বর, পেশিতে ব্যথা, স্বাদ হারিয়ে যাওয়া এবং গন্ধ না পাওয়ার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।’

কত সংখ্যক লোকের লক্ষণ দেখা দিচ্ছে?

কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির চিকিৎসা কেন্দ্রের ডাক্তার ডেভিড বাচহোল বলেন, ‘কেবল অসুস্থদের করোনা রোগের লক্ষণ দেখে পরীক্ষা করা হচ্ছে। সে কারণে এটি স্পষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। তবে আইল্যান্ডে দেখা গেছে, সেখানকার ৫০ শতাংশ করোনা আক্রান্তের শরীরে লক্ষণই দেখা দেয়নি। অথচ তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।’

গবেষকরা বলছেন, বিশ্বে অন্তত ৮০ শতাংশ আক্রান্তের শরীরে করোনার লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না।

আক্রান্ত ব্যক্তিরা কি অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে?

হিলম্যান বলেন, ‘আক্রান্ত হওয়ার অন্তত ১৪ দিন লাগতে পারে লক্ষণ প্রকাশ পেতে। এই সময়ের মধ্যে ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরাও আক্রান্ত হতে পারেন। তবে ঠিক কোন পদ্ধতিতে একজন থেকে আরেকজন আক্রান্ত হচ্ছে তা এখনো স্পষ্ট করে জানা যায়নি। তবে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এটি ছড়াতে পারে।’

এরই মধ্যে গবেষকরা দেখিয়েছেন, ‘আক্রান্ত ব্যক্তির বসবাসের স্থানেও করোনার জীবাণু থাকে। সে ক্ষেত্রে ওই স্থানে অবস্থান করলে কিংবা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহারের জিনিস স্পর্শ করলেও ঝুঁকি থাকে।’

দূরুত্ব বজায় রাখার বিষয়টা কেমন হবে?

উইলিয়াম বলেন, ‘শারীরিকভাবে সবাইকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কারণ, কেউ যে আক্রান্ত হবে না, সেই নিশ্চয়তা নেই।

আমি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকলে অন্যদের জানাব?

ডেভিড বাচহোল বলেন, ‘অবশ্যই জানাতে হবে। নিজের পরিবারের লোকজন থেকে শুরু করে বন্ধু-বান্ধবদের সচেতন করতে হবে। নিজে অন্তত ১৪ দিন আইসোলেশনে থেকে অন্যদেরও আইসোলেশনে থাকতে বলা দরকার। কারণ, করোনায় আক্রান্ত হলেই লক্ষণ প্রকাশ পায় না। লক্ষণ নেই মানেই করোনা নেগেটিভ নয়, পজিটিভ হওয়া সত্ত্বেও করোনার লক্ষণ দেখা নাও দিতে পারে।’

আমি একবার আক্রান্ত হলে দ্বিতীয়বারও কি ঝুঁকি থাকে?

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি। তবে চীনে অনেকেই দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা জানা গেছে। সূত্র : গার্ডিয়ান

advertisement
Evall
advertisement