advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রাজধানীর প্রবেশপথে কঠোর পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:৩১
advertisement

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ঢাকার প্রবেশপথগুলোয় চেকপোস্ট বসিয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সকাল থেকে প্রতিটি প্রবেশমুখে ঢাকা মহানগরীতে প্রবেশ ও বের হওয়া ঠেকাতে ব্যাপক তৎপর ছিলেন তারা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঢাকায় ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হয়নি। তবে ওষুধ, অ্যাম্বুলেন্স, সবজি ও বিভিন্ন নিত্যপণ্য সরবরাহের গাড়িগুলোর চলাচল নির্বিঘœ করতে পুলিশ সদস্যরা তৎপর রয়েছেন। এই কড়াকড়ি নিশ্চিতে সেনাসদস্যরা মাঠপর্যায়ের পুলিশকে সহায়তা করছেন।

করোনা সংক্রমণরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে গত রবিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিভিন্ন ইউনিটকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনায় ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়ার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। এর পর তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। আব্দুল্লাহপুর, গাবতলী, বাবুবাজার, পোস্তগোলা, যাত্রাবাড়ীসহ ঢাকার ছোট-বড় সব প্রবেশপথে পুলিশ চেকপোস্ট বসায়। ঢাকার আটটি ক্রাইম ডিভিশনের উপকমিশনাররা (ডিসি) মাঠে থেকে বিষয়টি তদারকি করছেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি), সহকারী কমিশনার (এসি) এবং সংশ্লিষ্ট থানার ওসিরা সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে সদস্যদের নানা দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন এমন পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গতকাল সকালে প্রাইভেটকার এবং মাইক্রোবাসে করে অনেকেই ঢাকায় প্রবেশ ও বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। এ কারণে সকালে ঢাকার প্রবেশমুখগুলোয় গাড়ির অনেক চাপ ছিল। তবে পুলিশ সদস্যরা সবাইকে ব্যাপক

জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তাদের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন। যারা সন্তোষজনক কারণ দেখাতে পেরেছেন তাদের নগরীর বাইরে যেতে বা প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে। অধিকাংশকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুপুরে এই চাপ কমে আসে।

ঢাকায় প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ চিটাগাং রোড। এ ছাড়া ডেমরার সুলতানা কামাল ব্রিজ হয়েও ঢাকায় যাতায়াত রয়েছে মানুষের। পুলিশের ওয়ারী বিভাগের এডিসি ইফতেখায়েরুল ইসলাম জানান, চিটাগাং রোড ও ডেমরার প্রবেশপথের চেকপোস্টে জরুরি সেবায় নিয়োজিত ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। মানুষের কাছে জানতে চাওয়া হচ্ছে কেন, কী কারণে তিনি বের হবেন বা ঢাকায় ঢুকবেন। জরুরি প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিত হওয়ার পর মানুষকে যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে। যাদের কথায় নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না তাদের ফিরে যেতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া ঠেকানো নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ছাড়াও ঢাকা জেলা পুলিশ, গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশও তৎপর ছিল।

advertisement