advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্বস্তি ফিরছে ইউরোপে

৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:৩৩
advertisement

লকডাউন উঠছে অস্ট্রিয়ার

ইউরোপের প্রথম দেশে হিসেবে আগামী সপ্তাহেই দোকানপাট চালু করার পরিকল্পনা করছে অস্ট্রিয়ার কনজারভেটিভ নেতৃত্বাধীন সরকার। করোনার প্রকোপ ঠেকাতে দেশজুড়ে লকডাউনের কারণে দোকানপাট, স্কুল, রেস্টুরেন্ট-বার বন্ধ রাখা হয়েছিল। তিন সপ্তাহ ধরে লকডাউন রয়েছে অস্ট্রিয়া। সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় দোকানপাট এবং জনসমাগমের স্থান বন্ধ রাখা হয়েছে। লোকজনকে বাড়ি থেকে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি সম্ভব হলে বাড়িতে বসেই কাজকর্ম করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লকডাউনের কারণে দেশজুড়ে করোনার প্রকোপ কমানো সম্ভব হয়েছে। এমনকি যারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বিবিসি।

আশা দেখছে

ইতালি

করোনায় সবচেয়ে বেশি লোক মারা গেছে ইতালিতে। তবে আশার আলো দেশটি। কারণ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। রবি ও সোমবারের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা গত দুসপ্তাহে সবচেয়ে কম সংখ্যায়।

১৯ মার্চ দেশটিতে ৪২৭ জনের মৃত্যু ছিল একদিনে সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর পর সেখানে প্রতিদিনই মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হয়েছে। অবশেষে মৃত্যুর সংখ্যা কমতে থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৮ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১৫ হাজার ৮৮৭ জন। অপরদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২১ হাজার ৮১৫ জন। বিবিসি।

আবার মৃত্যু কম

স্পেনে

স্পেনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা টানা চতুর্থ দিনের মতো কমেছে। সোমবার স্পেনে ৬৩৭ জনের মৃত্যু হয়, যা ২৪ মার্চ থেকে প্রায় দুসপ্তাহে সবচেয়ে কম।

দেশটিতে রবিবারই মৃতের সংখ্যা ছিল ৬৭৪। এরও আগে গত বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়েছিল ৯৫০ জনের। স্পেনের জনগণ তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে। দেশটিতে লকডাউনের সময় বাড়ানো হয়েছে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত।

মোট মৃতের সংখ্যা ১৩ হাজার পেরিয়েছে। মৃত্যুতে ইতালির পর স্পেনের অবস্থান। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৩৫ হাজার। ইউরোপে এ সংখ্যা সর্বোচ্চ। তবে দেশটিতে এখন নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও কমছে। বিবিসি।

advertisement