advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অবসরে দেখুন প্রেমের ছবি

করোনা রোধে ঘরে থাকা উচিত

জাহিদ ভূঁইয়া
৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:৩৭
advertisement

করোনায় স্থবির গোটা বিশ্ব। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে ব্যাপক। প্রতিদিনই খবর আসছে আপনার আশপাশে কেউ সংক্রমিত হচ্ছেন, কেউবা প্রাণ হারাচ্ছেন। এসব খবরে আপনার মন এমনিতেই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এ সময়ে মনকে প্রফুল্ল রাখা খুবই প্রয়োজন। তাই আসুন, ঘরে সময় কাটাই। আর দেখে নেই হলিউড-বলিউডের প্রেমের একগুচ্ছ ছবি। লিখেছেনÑ

জাহিদ ভূঁইয়া

সিলসিলা

প্রেম ও পরকীয়া নিয়ে এ ছবিটি নির্মাণ করে হিন্দি চলচ্চিত্র দুনিয়ায় রীতিমতো আলোড়ন তুলেছিলেন প্রযোজক-পরিচালক যশ চোপড়া। অমিতাভ বচ্চন-রেখার প্রেমময় সম্পর্ক নিয়ে তখন বাস্তবে বেশ গুঞ্জন চলছিল। রেখার কারণে অমিতাভ-জয়ার দাম্পত্য জীবনে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছিল। যশ চোপড়া ঠিক সেই সময়ে ত্রিভুজ সম্পর্কের অদ্ভুত এক প্রেমের গল্প নিয়ে ১৯৮১ সালে ছবিটি নির্মাণ করেন।

মুঘল-ই-আজম

১৯৬০ সালে ভারতজুড়ে মুক্তি পেয়েছিল নির্মাতা কে আসিফের একমাত্র সার্থক এ সৃষ্টি। মোগল সম্রাট আকবর-পুত্র সেলিমের সঙ্গে সাধারণ নর্তকী আনারকলির প্রেমকাহিনি নিয়ে নির্মিত এ ছবির অসাধারণ সেট, ধ্রুপদী নৃত্য, হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া গানগুলো আজও প্রযোজক-পরিচালক থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শকদের সমানভাবে দোলা দেয়। ছবিটিতে অভিনয় করেছিলেন পৃথ্বিরাজ কাপুর, দিলীপ কুমার, মধুবালা, দুর্গা খোতে প্রমুখ।

ববি

টিনএজ প্রেমের এ ছবি বলিউডের ইতিহাসে নতুন এক ধারার সূচনা করেছিল। ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ঋষি কাপুর ও ডিম্পল কাপাডিয়া অভিনীত ছবিটি হিন্দি চলচ্চিত্রে আধুনিক প্রেমকাহিনির সার্থক উপস্থাপনা ছিল। তরুণ বয়সী দর্শক তো বটেই, পরিণত বয়সের দর্শকরাও এ ছবির প্রেমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন সেই সময়।

কাসাব্ল্যাঙ্কা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। জার্মানদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে ইউরোপীয়দের অনেক শরণার্থীই আশ্রয় খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে যেতে হলে প্রথমে যেতে হবে কাসাব্ল্যাঙ্কায়, সেখানে মিলতে পারে এক্সিট ভিসা, যা মোটেও সহজলভ্য নয়। কাসাব্ল্যাঙ্কায় জনপ্রিয় ক্যাফে চালায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত রিক ব্লেইন। ঘটনাক্রমে ট্রানজিটের দুটো কাগজ পায় সে। এ শহরেই ব্লেইন আবিষ্কার করে সাবেক প্রেমিকা ইলসাকে। ১৯৪২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ ছবিটি পরিচালনা করেন মাইকেল কার্টিজ।

ম্যায়নে পেয়ার কিয়া

১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া এ ছবির প্রতিটি গানই ছিল তখনকার সময় সুপার ডুপার হিট, বিশেষ করে ‘কবুতর যা যা’ গানটি ছিল সবার মুখে মুখে। মিষ্টি প্রেমের কাহিনি নিয়ে নতুন নায়ক-নায়িকা সালমান খান ও ভাগ্যশ্রী তখন বলিউডে নতুন জুটির আগমনী বার্তা শুনিয়েছিলেন। ধনী-গরিবের সামাজিক বৈষম্য ও ভালোবাসা নিয়ে নির্মিত ছবিটিতে শিল্পীদের অভিনয়, গান, নাচÑ সবকিছুতেই ছিল ভালো লাগার মতো বেশ কিছু নতুনত্বের ছোঁয়া।

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে

১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আদিত্য চোপড়া পরিচালিত এ ছবিতে শাহরুখ খান ও কাজলের মিষ্টি প্রেমের অভিনয় ছবিটিকে চির অমর করে রেখেছে। ছবির শেষ দৃশ্যে রেলস্টেশনে ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার সময় শাহরুখ-কাজলের দৃশ্যটিকে বিবেচনা করা হয় বলিউডের সর্বকালের অন্যতম সেরা রোমান্টিক দৃশ্য হিসেবে।

গন উইথ দ্য উইন্ড

১৯৩৯ সালের ছবি। যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় রেথ বাটলার ও স্কারলেট ও’হারার প্রেম নিয়ে এর গল্প। গল্পটা এক স্বার্থপর নারীর, যে নিজের প্রেমের কথা তার ভালোবাসার মানুষটিকে জানাতে চায় না। শেষ পর্যন্ত সেই মানুষটিকে সে হারিয়েই ফেলে। স্কারলেট জানত না, যে সময় সে অ্যাশলির কাছে তাকে গ্রহণ করার অনুরোধ করছিলÑ একই সময় সেই ঘরে ছিল রেথ। ছবিটি পরিচালনা করেন ভিক্টর ফ্লেমিং।

ইটস আ ওয়ান্ডারফুল লাইফ

পরিবার ও সমাজের চাপিয়ে দেওয়া নানা দায়ভারে ক্লান্ত হয়ে পড়ে জর্জ বেইলি। এ জীবন কি সে চেয়েছিল? তার তারুণ্য, স্বপ্ন আর সম্ভাবনা সব ধীরে ধীরে উবে যাচ্ছে। জর্জ আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। এমন সময় তাকে বাঁচাতে স্বর্গ থেকে নেমে আসে এক দেবদূত। ১৯৪৬-এ মুক্তিপ্রাপ্ত এ ছবিটি পরিচালনা করেন ফ্রাঙ্ক কাপরা।

ওয়েস্ট সাইড স্টোরি

শেক্সপিয়ারের অমর সৃষ্টি রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট থেকে অনুপ্রাণিত এ ছবির গল্প। নিউইয়র্ক শহরে রাস্তার দুই মস্তান দলের মধ্যে চরম বিরোধ। জেটস বনাম শার্কস একে অপরের ছায়াও সহ্য করতে নারাজ। কিন্তু দুই চরম শত্রু গোষ্ঠীর দুই তরুণ-তরুণীর মধ্যে অলৌকিক প্রেম বাসা বাঁধে। ১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি নির্মাণ করেন রবার্ট ওয়াইজ ও জেরম রবিনস।

রোমান হলিডে

এক রাতে হোটেল ছেড়ে পালিয়ে যায় অ্যান। তার সঙ্গে দেখা হয় রোমে অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে আসা মার্কিন সাংবাদিক জোয়ের। অ্যান তখন ঘুমিয়ে ছিল বেঞ্চিতে। জো নিজের ঘরে নিয়ে আসে অ্যানকে, দুজনের মনের কোণে উঁকি দেয় প্রেমসূর্য। ১৯৫৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি পরিচালনা করেন উইলিয়াম ওয়াইলার।

advertisement