advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

তারকার সচেতনতা
সময় নষ্ট না করে এখনই সতর্ক হোন

নিরব
৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২০ ০৮:১৩
চিত্রনায়ক নিরব
advertisement

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। ইতোমধ্যেই আমরা বুঝতে পারছি যে, করোনা ভাইরাস আমাদের মানবজাতির জন্য কতটা ভয়ানক। করোনা ভাইরাস যে শুধু বর্তমানেই সমস্যা সৃষ্টি করছে তা কিন্তু নয়, এর ফল আমাদের করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়ার পরও ভোগ করতে হবে। বর্তমানে অনেকে সাহায্য করছেন নিম্ন আয়ের মানুষদের।

হয়তো সবাই খাবারে কষ্ট করছেন না কিন্তু এই যে অর্থনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে তা কিন্তু করোনা পরিস্থিতি ঠিক হওয়ার পর আরও ভয়াবহ রূপ নেবে। আসল পরীক্ষা তো তখন শুরু হবে। তাই আমাদের সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে যেন করোনা ভাইরাস তার ভয়াবহতা আমাদের দেশে প্রকাশ করতে না পারে। করোনা ভাইরাসকে রুখতে হলে সব মানবজাতিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

আমাদের দেশ কিছুটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকলেও দু-তিন দিন ধরে এর ভালো প্রভাব দেখা যাচ্ছে। আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। সরকার অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য। ডিএমপি ইতোমধ্যে ঢাকা লকডাউন করে দিয়েছে, যাতে ঢাকার মধ্যে নতুন করে কেউ প্রবেশ করতে না পারে এবং ঢাকা থেকে কেউ বের হতে না পারে।

এ ছাড়া দেখলাম অনেক এলাকা করোনা প্রতিরোধে নতুন করে লকডাউন করে দিচ্ছে। যেহেতু দুদিন ধরে অবস্থার অবনতি হচ্ছে তাই সবার উচিত আরও বেশি সতর্ক হওয়া। করোনা প্রতিরোধ করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে। নিজ থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে, নিজেকে ঘরের মধ্যে রাখতে হবে, প্রয়োজন ছাড়া বাইর হওয়া যাবে না, মানুষের পাশে থাকতে হবে, যাতে এই দুর্দিনে মানুষ কষ্ট না পায়। টিভি নিউজে দেখছি অনেক মানুষ লকডাউন মানছেন না।

এটা খুব দুঃখজনক। আমি সব দেশবাসীর উদ্দেশে বলতে চাই, দেখুন আমরা যদি লকডাউন না মেনে অযথা বাইরে ঘোরাঘুরি করি, সরকারি নির্দেশ অমান্য করি, করোনা ভাইরাসকে তোয়াক্কা না করি তা হলে সবচেয়ে ক্ষতি আমাদেরই হবে। যদি আপনি আক্রান্ত হন তা হলে আপনার দ্বারা আপনার পরিবারের সবাই আক্রান্ত হবে। সচেতন না হলে করোনা ভাইরাস আপনাকে শেষ করে ফেলবে আর আপনি আপনার পরিবার এবং পুরো সমাজকে শেষ করে ফেলবেন। তাই সবার প্রতি আহ্বান সবাই সময় নষ্ট না করে এখনই সতর্ক হোন। নষ্ট করার মতো সময় আর নেই।

এ ছাড়া একটা জিনিস সবাইকে মনে রাখতে হবে, বিশেষ করে দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে মানুষ মানুষের জন্য। যারা এই সময়ে কাজ করতে পারছেন না সব সামর্থ্যবানের তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আশার কথা হলো, অল রেডি সমাজের অনেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে আমার মনে হয় সাহায্যটা আরও ১০-১৫ দিন পর মানুষের বেশি প্রয়োজন হবে। লকডাউনের জন্য মানুষ যখন ২০ দিন বা ১ মাস কাজ করতে পারবে না তখন তাদের কাছে আর কোনো টাকাই অবশিষ্ট থাকার কথা নয়, তখন আরও বেশি সমস্যা হবে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য।

তাদের খাবারের জন্য হয়তো ধার করতে হবে, বিভিন্ন মানুষের কাছে হাত পাততে হবে। আমার সবার কাছে অনুরোধ যাতে নিম্ন আয়ের মানুষদের সাহায্যে যারা এগিয়ে এসেছেন তারা যেন তাদের সাহায্য বন্ধ করে না দেন। সামর্থ্য অনুযায়ী যেন তারা সাহায্য চালিয়ে যান এবং সরকার যাতে তাদের সাহায্য অব্যাহত রাখে।

advertisement