advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

স্বচ্ছতার সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে খাদ্য সহায়তা

বিন্দু তালুকদার সুনামগঞ্জ
৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:৩৮
advertisement

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি সরকারি খাদ্য সহায়তা প্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন। এ ছাড়া বিদেশ ফেরতদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সাধারণ মানুষ যাতে বিনা কারণে ঘর থেকে বের না হন তা নিশ্চিতে শহর থেকে গ্রামপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে জেলা প্রশাসক জানান, হাওর প্রধান সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র, কর্মহীন ও অসচ্ছল পরিবার, যারা করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় লকডাউনের প্রভাবে বেকার হয়ে পড়েছেন, প্রথম দফায় তাদের সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ পর্যায়ে জেলার ১১ উপজেলায় ১২ হাজার ৮৭০ পরিবারের মধ্যে ১৩০ টন চাল ও নগদ ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে গত রবিবার থেকে ১১ উপজেলা ও চার পৌসভায় ৪৩ হাজার ৬০০ পরিবারের মাঝে ৪৩৬ টন চাল ও ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হচ্ছে।

ওয়ার্ড পর্যায়ে নানা শ্রেণি-পেশার লোকদের দিয়ে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতার মাধ্যমে সরকারি ত্রাণ বিতরণ কাজ চলছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দরিদ্রদের পাশে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সংগঠন পর্যায়ে খাদ্য সহায়তা প্রদান চলছে।

ত্রাণ বিতরণে যাতে এক ব্যক্তি একাধিক সুযোগ না পায়, সে জন্য বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণকারীদের উপজেলা প্রশাসন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করার অনুরোধ জানান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জেলা প্রশাসন থেকে সব রকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সুনামগঞ্জে কেউ আক্রান্ত বা মৃত্যুবরণ না করলেও এর বিস্তার ঠেকাতে সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে অবস্থান করতে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। গ্রামপর্যায়ে মাইকিং করে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক জানান, জেলায় করোনা চিকিৎসায় ডাক্তার-নার্সদের মাঝে ১ হাজার ৪৩২টি পিপিই ও ১ হাজার ১৮৪টি মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। জেলা সদরের ২৫০ শয্যা হাসপাতালসহ ৯ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও দুটি বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে মোট ১৩৩টি বিশেষ বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। করোনা চিকিৎসাসেবার জন্য ৮৬ চিকিৎসক ও ২৪৭ জন নার্সকে নিয়োজিত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধসহ পিপিই মজুদ রাখা হয়েছে।

advertisement