advertisement
advertisement

ইউরোপ-ইরান ভ্রমণকারীদের প্রবেশ নয় ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত

৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫৩
আপডেট: ৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:৫৩
advertisement

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বড় ধরনের ঝুঁকি এড়াতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) দেশ এবং ইরানে ভ্রমণকারীদের বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তাদের বাংলাদেশে ভ্রমণের অনুমতি বা ইমিগ্রেশন দিয়ে ঢুকতে দেওয়া হবে না। গত ২৮ মার্চ বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, স্থলবন্দর এবং সমুদ্রবন্দরের ইমিগ্রেশন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বেবিচক সূত্র বলছে, ইতোমধ্যে তারা চীন ছাড়া সবকটি রুটে
যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রেখেছেন। তাই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো এবং ইরানে বসবাসকারী/ভ্রমণকারীদের এ দেশে প্রবেশের সুযোগ কম। এর পরও করোনা ভাইরাসে মহামারী দেখা দেওয়া ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশ বা ইরানে বসবাসকারী/ভ্রমণকারীরা যেন চীন হয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে না পারেন সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে।
ওই চিঠিতে বলা হয়, ইইউ অঞ্চল এবং ইরানের নাগরিকরা ১ মার্চের আগে থেকে নিজ অঞ্চল বা দেশের বাইরে অবস্থান/বসবাস করছেন অথচ তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ভিসা পেয়েছেন তারা এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবেন। তবে তাদের ক্ষেত্রে ভ্রমণের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একটি মেডিক্যাল প্রশংসাপত্র তৈরি করতে হবে, যাতে স্পষ্ট থাকবে যে তার মধ্যে কোভিড ১৯-এর কোনো লক্ষণ নেই। এই প্রশংসাপত্র বাংলাদেশে প্রবেশের পয়েন্টে জমা দিতে হবে।
চিঠিতে আর বলা হয়, যদি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কোনো যাত্রী এনভিআরধারী (নো ভিসা রিকোয়ারড) হন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রশংসাপত্র নিয়ে বাংলাদেশে আসেন তবে ওই ব্যক্তি করোনা ভাইরাসের লক্ষণ থেকে মুক্ত হলেও ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।
বেবিচক চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশ ও ইরানে করোনা ভাইরাসে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এ অবস্থায় বাংলাদেশিদের ভাইরাসের প্রকোপমুক্ত রাখার জন্যই এই চেষ্টা।
বেবিচকের আরেক আদেশে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের পাশাপাশি ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বেসরকারি বাণিজ্যিক হেলিকপ্টারগুলো ফ্লাইট অপারেশন পরিচালনা করতে পারবে না। এই সময়ের মধ্যে বেসরকারি হেলিকপ্টারগুলোকে শুধু নিজস্ব করপোরেট, মানবিক বা ত্রাণ বিতরণকাজে সীমাবদ্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যে কোনো ফ্লাইট অপারেশন চলাকালে যাত্রী, ক্রুদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি সরঞ্জাম এবং স্যানিটাইজেশন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।

advertisement