advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনা টেস্ট ফ্রি করার নির্দেশ আদালতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৯ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৮ এপ্রিল ২০২০ ২২:১৯
advertisement

ভারতে দিন দিন বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও। গতকাল দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশটিতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের। এ নিয়ে সর্বমোট মৃত্যু হলো ১৬০ জনের। এ ছাড়া নতুন ৭৭৩ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে গতকাল বুধবার দেশটির উচ্চ আদালতে করোনার পরীক্ষা বিনা পয়সা করতে সরকার ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে। খবর এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমস।

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চলমান লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছেন। করোনা ভাইরাসের সামাজিক বিস্তার রোধ করতে নরেন্দ্র মোদি ২৪ মার্চ দেশব্যাপী ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন, যা আগামী ১৪ এপ্রিল শেষ হবে। কিন্তু ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় বেশ কয়েকটি রাজ্যের অনুরোধে সরকার লকডাউনের সময়সীমা আরও বাড়ানোর কথা বিবেচনা করছে।

নরেন্দ্র মোদি গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, ১৪ এপ্রিল লকডাউন শেষ করা সম্ভব হবে না। সব দলের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে মোদি বলেছিলেন যে তিনি মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন অবশ্যই। তবে সম্ভবত লকডাউন এত তাড়াতাড়ি শেষ হতে পারে বলে মনে হয় না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার পরে জীবন আর আগের মতো হবে না, হয় তা প্রাক-করোনা এবং উত্তর-করোনো হবে।’ প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে রাজনৈতিক নেতাদের বলেন, ‘ব্যাপকভাবে আচরণমূলক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত পরিবর্তন সাধন করতে হবে।’

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই নিয়ে আলোচনা করতেই মোদি এই বৈঠকটি ডাকেন। সারা দেশে এ মুহূর্তে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ১৯৪-এ পৌঁছেছে।

এদিকে হাজার হাজার অভিবাসী শ্রমিকের সংকট, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব এবং বাণিজ্যিক লোকসান এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম এ অর্থনীতির কিছু অংশ চালু করার সরকারের ওপরও চাপ ফেলছে। আলোচ্য পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে করোনা ভাইরাস হটস্পটগুলো সিল করা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সীমাবদ্ধতা কমিয়ে আনা। মন্ত্রীদের আরও পরামর্শ যে, স্কুল, কলেজ এবং ধর্মীয় স্থানগুলোও আরও কয়েক সপ্তাহ বন্ধ রাখা হোক। দেশে রেল, বাস, মেট্রো পরিষেবাও আপাতত চালু না হওয়ারই ইঙ্গিত মিলেছে।

ভারতে কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমন্বয়কের ভূমিকা পালনকারী সংস্থা ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের (আইসিএমআর) সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি সামাজিক দূরত্ব বজায় রীতি মেনে চললেও তাকে যদি কোয়ারেন্টিন করা না হয়, তা হলে ৩০ দিনে তার মাধ্যমে আরও ৪০৬ জন আক্রান্ত হতে পারেন।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতজুড়ে করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের ৭০ শতাংশের রোগ লক্ষণ মাঝারি থেকে মৃদু এবং তাদের কোভিড-১৯ এর চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলোয় ভর্তি হওয়া দরকার হবে না।

advertisement