advertisement
advertisement

দরিদ্রদের জন্য দ্রুত খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে সানেমের ৪ পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ৮ এপ্রিল ২০২০ ২৩:৩৬
advertisement

করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকটে শহরে এবং গ্রামে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ ভিন্ন রূপের হতে পারে। এ কারণে চারটি ব্যবস্থা অতিদ্রুত নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেম। প্রতিষ্ঠানটি কারণগুলো উল্লেখ করেছে-প্রথমত, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় যে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর তালিকা সরকারের কাছে আছেÑ তার ভিত্তিতে অতিদ্রুত স্থানীয় পর্যায়ে সংকটকালীন সময়ে অপরিহার্য খাদ্য বিতরণ করা, দ্বিতীয়ত, অতিদ্রুত নতুন তালিকা তৈরি করা, যাতে বাদ পড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং আর্থিকভাবে অসহায় জনগণকে অন্তর্ভুক্ত করা যায় এবং তাদেরকেও অপরিহার্য খাদ্য বিতরণ করার কর্মসূচির আওতাধীন করা। তৃতীয়ত, তালিকা তৈরি ও হালনাগাদ করতে, খাদ্য বিতরণে, এবং এ পুরো প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ঠেকাতে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাকর্মী এবং বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান (যেমন ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক) যৌথভাবে কাজ করতে পারে। চতুর্থত, বেসরকারি খাতের সক্ষম ব্যক্তিদের এবং বেসরকারি খাতের সংগঠনগুলোর (যেমন- বিজিএমইএ, এফবিসিসিআই, এমসিসিআই, ডিসিসিআই) এগিয়ে আসা প্রয়োজনÑ তাদের আওতাধীন শ্রমিক-কর্মচারীদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য।

গতকাল পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন, সরকারি দারিদ্র্য আয়সীমা অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে শতকরা ২০.৫ ভাগ জনগণ দরিদ্র। এ হিসাবে দেশে দরিদ্র জনগণের সংখ্যা হলো ৩ কোটি ৪০ লাখ। আমরা যদি এই দারিদ্র্য আয়সীমা ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি করি, একই সঙ্গে দারিদ্র্য এবং আর্থিক অসহায়ত্ব বিবেচনায় নিয়ে (বাংলাদেশের ‘জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা কৌশলপত্র ২০১৫’ আর্থিক অসহায়ত্বের এই সংজ্ঞা গ্রহণ করেছে), তাতে দারিদ্র্য এবং আর্থিক অসহায়ত্বের শতকরা হার দাঁড়ায় দারিদ্র্য হারের দ্বিগুণেরও ওপরে। অর্থাৎ, দেশে দরিদ্র এবং আর্থিক অসহায় জনগণের সংখ্যা এখন প্রায় ৭ কোটির কাছাকাছি। করোনা ভাইরাসজনিত বর্তমান সংকটের সময়ে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই বিশাল দরিদ্র এবং আর্থিকভাবে অসহায় জনগণের কর্মহীনতা এবং আয়হীনতার পরিপ্রেক্ষিতে এ জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

advertisement