advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সারা দেশে চালু থাকবে যেসব পরিষেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ এপ্রিল ২০২০ ১৬:০৭ | আপডেট: ৯ এপ্রিল ২০২০ ১৬:১৭
advertisement

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে সরকার। জরুরি এ পরিস্থিতিতে কয়েকটি বিশেষ ব্যবস্থা চালু করছে সরকার, আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক পরিপত্রে বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত পরিপত্রটিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি ও জনস্বার্থে চলাচল এবং গমনাগমন নিষেধাজ্ঞা অথবা নিয়ন্ত্রণ ও নৃবৃত্তিমূলক যেকোনো ব্যবস্থাকালে জরুরি সেবা ও সরবরাহ শৃংখল যথাসম্ভব স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে নিম্নোক্ত পরিষেবাগুলো যথারীতি চালু থাকবে-

ক. জরুরি পরিষেবা যেমন: বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট এবং এত সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মী।
খ. চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী ।
গ. ওষুধশিল্প সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মী।
ঘ. নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী, খাদ্যদ্রব্য, শিশুখাদ্য দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য এবং পশুখাদ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মী।
ঙ. কৃষিপণ্য, সার-কীটনাশক, জ্বালানি ইত্যাদি পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মী।
চ. কৃষিজ পণ্য উৎপাদন, মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, দুগ্ধ পণ্য উৎপাদন, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনসহ জীবনধারণের মৌলিক পণ্য উৎপাদন ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মী।
ছ. উপরোক্ত পরিষেবাসমূহ সংশ্লিষ্ট রক্ষণাবেক্ষণ কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মী।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক সাধারণ ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি এবং জনস্বার্থে চলাচল ও গমনাগমন নিষেধাজ্ঞা অথবা নিয়ন্ত্রণ ও নৃবৃত্তিমূলক যেকোনো কার্যক্রম ব্যবস্থা সংক্রান্ত জারিকৃত নির্দেশনা সমূহ যথারীতি বলবৎ থাকবে।

আজ দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ১১২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের পুরুষের সংখ্যা বেশি এবং বেশি আক্রান্ত ঢাকায় আজ বৃহস্পবার দুপুর আড়াইটায় মহাখালী থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে বিষয়টি জানান আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

বয়সের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই ১১২ জন রোগীর মধ্যে ১০ বছরের নিচে আছে তিনজন। ১১-২০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৯ জন। ২১-৩০ বছরের মধ্যে ২৫ জন। ৩১-৪০ বছরের মধ্যে ২৪ জন। ৪১-৫০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ১৭ জন। ৫১-৬০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ২৩ জন এবং ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ১১ জন।

advertisement
Evall
advertisement