advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জ্বর-শ্বাসকষ্টে মৃত যুবক, কবরস্থানে নিতে খাটিয়াও পেল না পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ এপ্রিল ২০২০ ২৩:৪৭ | আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০
এভাবেই কাঁধে করে ওই যুবকের লাশ বহন করেন বাবা ও দুই ভাই। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যাওয়ায় যুবকের মৃতদেহ বহনে খাটিয়া না পেয়ে অবশেষে কাঁধে করে নেওয়া হয়েছে কবরস্থানে। এমন ঘটনা ঘটেছে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বখতারপুর গ্রামে।

গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়। পর দিন বুধবার সকালে ওই যুবকের মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়। মৃতদেহ এভাবে কবরে নেওয়ার ছবিটি অনেক দূর থেকে একজন তুললে জানাজানি হয়। দাফনের সময় স্বাস্থ্য বিভাগের কাউকে দেখা যায়নি। উপস্থিত দুই পুলিশ সদস্যও অনেক দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন স্বাস্থ্যবিভাগের কর্মীরা জানান, ২২ বছর বয়সী ওই যুবক ইটভাটার শ্রমিক ছিলেন। কয়েকদির ধরে জ্বর-সর্দিতে ভুগছিলেন তিনি। ওষুধ খাওয়ার পর ওই যুবকের জ্বর কমলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরিবারের লোকজন স্থানীয় গ্রাম্য ডাক্তারদের পরামর্শে ওষুধ খাওয়ান। অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের পক্ষ থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর পর ওই যুবকের পরিবারসহ গ্রাম (১৬ পরিবার) এবং তার লাশ দেখতে আসা দোয়ারাবাজার সদরের মাঝের গাঁওয়ের দুই স্বজনের পরিবারকে লকডাউনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গ্রামের ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম জানান, খাটিয়া আনার সময় ছিল না। এজন্য খাটিয়া দেওয়া যায়নি। পলিথিনে পেঁচিয়ে মরদেহ কবরে নেওয়া হয়েছে।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসেম বলেন, ‘যুবকটি মারা যাওয়ার পরদিন সকালে নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। কবর দেওয়া পর্যন্ত পুলিশ ওখানেই ছিল। পুলিশ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে। তবে পরিবারের লোকজন উত্তেজিত ছিল। কাউকে কাছে ভিড়তে দেয়নি।’

ওসি বলেন, ‘বডিব্যাগে করে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ কবর দেওয়ার স্থানে নিয়ে যান। স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী লাশের কবর হয়েছে কিনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা বলতে পারবেন।’

advertisement
Evall
advertisement