advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ
জাপানি ওষুধ ‘আভিগান’ প্রয়োগে সাফল্য, উৎপাদন হবে বাংলাদেশেও

ফখরুল ইসলাম,জাপান
১০ এপ্রিল ২০২০ ০২:২৫ | আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২০ ১৫:৫২
জাপানি ওষুধ আভিগান। ছবি : সংগৃহীত
advertisement

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এক পরীক্ষায় সাফল্য এনে দিয়েছে ‘আভিগান’ নামে একটি ওষুধ, এমন দাবি একদল জাপানি গবেষকের। মাত্র সাত থেকে নয় দিনে একজন রোগী সুস্থ হয়ে যেতে পারেন এই ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে, এমনটিও বলছেন তারা।

জাপানে এক গবেষণায় এমন ফলাফল পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা দেশটির ১২০ জন রোগীর উপর এটি প্রয়োগ করেছেন। জাপানি গবেষক দলটির দাবি, ত্রিশ বছর বয়সী এক রোগীর উপর আভিগান প্রয়োগ করার পর তিনি মাত্র ৭ দিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি।

বিজ্ঞানীরা জাপানের চিকিৎসায় চলমান ওরভোসকো নামে একটি ওষুধের সঙ্গে আভিগানের যৌথ প্রয়োগ করেন একজন মধ্যবয়সী রোগীর ওপর। তিনি মাত্র ৯ দিনে সুস্থ হয়ে গেছেন। এমনকি তার পিসিআর ফলাফল নেগেটিভ আসছে।

ওই গবেষক দল আরও বলছে, সন্তানসম্ভবা নারীদের এ ওষুধ প্রয়োগে নেতিবাচক ফলাফল আসতে পারে, এমন আশঙ্কায় তাদের উপর এটি প্রয়োগ করা হয়নি।

এটি মূলত একটি আনঅফিসিয়াল ফলাফল। তবে গবেষকরা মনে করেন, এটি কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে। তারা বলছেন, ফাভিপিরাভি উপাদান থেকে প্রস্তুত আভিগান প্রথম দুধাপের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল দিয়েছে। পরীক্ষামূলক প্রয়োগেও প্রত্যাশিত সাফল্য এসেছে।

ওষুধটি সাধারণত ফ্লুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। তবে গত মাসে চীন দাবি করেছে, তারা করোনার চিকিৎসায় ওষুধটি ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছে। বহু দেশ করোনা মোকাবিলায় ওষুধটি ব্যবহারের চিন্তা করছে। এমনকি বাংলাদেশেও তিনটি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এটি করোনার চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য উৎপাদন করবে বলে জানিয়েছে।

গত সপ্তাহে জাপানি সংস্থা ফুজিফিল্ম ঘোষণা করে, তারা আভিগান নামক ওষুধের তৃতীয় পর্যায়ের গবেষণা পরীক্ষা শুরু করেছে। এই ওষুধ করোনাভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসায় বেশ কিছু দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে। কোভিড ১৯-এর কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা না থাকায় অন্য রোগের ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে। ম্যালেরিয়া, এইচআইভি, আর্থ্রাইটিস, ইত্যাদির ওষুধ করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে- যার বিভিন্ন রকম ফল মিলছে। আভিগান অ্যান্টি ইনফ্লুয়েঞ্জা ওষুধ ২০১৪ ও ২০১৬ সালের ইবোলা মহামারীর সময়ে ভালো ফল দিয়েছিল, এবারও তেমনটাই আশা করা হচ্ছে।

advertisement
Evall
advertisement