advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ
ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া বিলে সুদ আরোপ করা যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ এপ্রিল ২০২০ ১৯:০৬ | আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২০ ১৯:০৭
প্রতীকী ছবি
advertisement

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ক্রেডিট কাডের গ্রাহকরা সঠিক সময়ে বিল প্রদান করতে পারছেন না। আগে বিল দিতে দেরি হলে তার ওপর জরিমানা না করতে আদেশ জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু জরিমানা না করলেও বকেয়া বিলের ওপরে ১৪ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ আরোপ করছিল ব্যাংকগুলো। আজ ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ডের বিলের ওপর সুদ আরপ না করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রসঙ্গত, ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনায় ৪৫ দিন পর্যন্ত বিনা সুদে বিল পরিশোধের সুযোগ থাকে। ৪৫ দিন পার হয়ে গেলে বিলের ওপর কেনাকাটার প্রথম দিন থেকেই উচ্চহারে সুদ আরোপ করে ব্যাংক। এই সুদ হার চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে। ব্যাংক  ভেদে সুদের হার সর্বনিম্ন ১৪ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জরিমানা মওকুফ করলেও ব্যাংকগুলো সুদ আরোপের সুযোগ পায়। বিল দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও ব্যাংক খোলা না থাকা এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা সীমিত  থাকায় গ্রাহকরা বিল দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। গ্রাহকদের এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে উচ্চ সুদ আরোপের সুযোগ পায়।

আজকের সার্কুলারে বলা হয়, কোনো কোনো ব্যাংক অপরিশোধিত ক্রেডিট কার্ড বিলের ওপর মাসিক ভিত্তিতে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ আরোপ করছে। এর ফলে গ্রাহক কর্তৃক অতিরিক্ত টাকা দান করতে হচ্ছে, যা সংকটময় পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই কাম্য নয়। ১৫ মার্চ থেকে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ডের বিলের ওপর দৈনিক বা মাসিক ভিত্তিতে চক্রবৃদ্ধি হারে আরোপ না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। ১৫ মার্চের পর যদি কোনো ব্যাংক সুদ আরোপ করে থাকে তাহলে তা ফেরত দেওয়ার বা সমন্বয় করার নির্দেশ প্রদান করা হলো।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক বলে ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ডের বিল জমা দিতে দেরি হলে তার জন্য জরিমানা, দণ্ড, দণ্ড সুদ অতিরিক্ত চার্জ বা ফি যে নামেই হোক তা নেওয়া যাবে না। যদি কোনো ব্যাংক নিয়ে থাকে তাহলে তা ফেরত দিতে হবে।

advertisement
Evall
advertisement