advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আগামী এক বছর কৃষি ঋণের সুদ ৪ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ এপ্রিল ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২০ ০৮:৪৫
advertisement

করোনার সংক্রমণে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কৃষিঋণে ভর্তুকি দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সাধারণত কৃষিঋণের সুদহার ৯ শতাংশ। ১ এপ্রিল থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন কৃষকরা। তবে এই ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলো সুদ পাবে ৯ শতাংশ। বাকি ৫ শতাংশ সুদ ভর্তুকি দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ধান, গমসহ সব দানা শস্য, অর্থকরী ফসল, শাকসবজি ও কন্দাল ফসল চাষের জন্য এই ঋণ নিতে পারবেন কৃষকরা। গতকাল এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ওই সার্কুলারে বলা হয়, আগামীতে খাদ্যের উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে কৃষি খাতে শস্য ও ফসল চাষের জন্য কৃষক পর্যায়ে স্বল্প সুদে ঋণ সরবরাহ করা অত্যাবশ্যক। আমদানির বিকল্প ফসল (ডাল, তৈলবীজ, মসলা জাতীয় ফসল ও ভুট্টা) চাষ করার জন্য কৃষক পর্যায়ে ৪ শতাংশ রেয়াতি সুদ হারে কৃষি ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

এখন আমদানির বিকল্প ফসলের পাশাপাশি কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে উল্লিখিত ধান, গমসহ সব দানা শস্য, অর্থকরী ফসল, শাকসবজি ও কন্দাল ফসল চাষের জন্যও সুদ-ক্ষতি সুবিধার আওতায় কৃষক পর্যায়ে ৪ শতাংশ রেয়াতি সুদহারে কৃষি ঋণ বিতরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হলো। বিতরণ করা ঋণগুলোর বিপরীতে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রকৃত সুদ-ক্ষতি বাবদ ৫ শতাংশ হারে সুদ- ক্ষতি পুনর্ভরণ সুবিধা প্রাপ্য হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো ৯ শতাংশ সুদেই ঋণ দেবে। কিন্তু কৃষকের কাছ থেকে নেবেন ৪ শতাংশ। বাকি ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সুদ-ক্ষতি পুনর্ভরণের আওতায় নিজস্ব তহবিল থেকে এই অর্থ পরিশোধ করা হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ১ এপ্রিল থেকে এই সুদহার কার্যকর হবে। নতুন ঋণ ৪ শতাংশ সুদে দিতে হবে। আর বিদ্যমান ঋণের সুদহার ১ এপ্রিল থেকে ৪ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে এপ্রিল-জুন সময়ে যে কিস্তি আদায় বা সমন্বয় করা হবে সেই সুদে ভর্তুকি দেওয়া হবে। ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে। এই সময়ের পর যে পরিমাণ ঋণ অনাদায়ী থাকবে তার বিপরীতে সাধারণ সুদ অর্থাৎ ৯ শতাংশ সুদহার প্রযোজ্য হবে।

আগামী ২০২০-২১ অর্থবছর শেষে ভর্তুকি দেওয়া হবে। অর্থবছর শেষ হওয়ার এক বছরের মধ্যে কৃষি খাতে বিতরণ করা ঋণ, আদায় ও সমন্বয়ের তথ্যসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটি যাচাই-বাছাই করে সুদ ভর্তুকি পরিশোধ করবে।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে ব্যাংকগুলোর কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা আছে ২৪ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। এই লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে কমপক্ষে ৬০ শতাংশ শস্য খাতে অর্থাৎ ভর্তুকির জন্য নির্ধারিত খাতে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

advertisement
Evaly
advertisement