advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সম্পত্তির লোভে চিকিৎসক ছেলেকে পাগল বানানোর চেষ্টা করেন মা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ মে ২০২০ ২১:০২ | আপডেট: ২৩ মে ২০২০ ০৮:০৭
মায়ের বিরুদ্ধে পাগল বানানোর চেষ্টার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন ডা. রাফেল মো. আনোয়ারুল কবির। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

সম্পত্তির লোভে পরিকল্পিতভাবে ডা. রাফেল মো. আনোয়ারুল কবির নামের এক চিকিৎসককে পাগল বানানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার মায়ের বিরুদ্ধে। চিকিৎসক ছেলেকে মানসিক রোগী বানিয়ে মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ৯ বছর ধরে আটকে রাখা হয়।

সেখান থেকে মুক্তি পেয়ে আজ শুক্রবার ডা. রাফেল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. রাফেল দাবি করেন, পারিবারিকভাবে প্রতারণা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। তার মা ডা. লতিফা সামসুদ্দিন ও বোনদের সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, টাকা-পয়সা এবং বাবার সব সম্পত্তি, টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করার জন্য তাকে পাগল ও নেশাগ্রস্ত সাজানো হয়েছে। এ ছাড়া তাকে প্রায় ৯ বছর রিহ্যাব সেন্টারে আটকে রাখা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে এই চিকিৎসক জানান, রিহ্যাবে থাকাবস্থায় তারা বাবা ডা. একে এম সামসুদ্দিন গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি তার বাবা হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এদিকে স্বামীর সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও ব্যাংকে রেখে যাওয়া টাকা আত্মসাৎ করার জন্য ডা. লতিফা এক নারীকে তার কন্যা সাজান এবং মৃত সামসুদ্দিনকে জীবিত দেখিয়ে রিহ্যাবে থাকাবস্থায় রাফেলের কাছ থেকে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

রাফেল আরও অভিযোগ করেন, তার মা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন লোক মারফতে তাকে জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে মেরে ফেলতে পারেন। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। প্রাণ বাঁচাতে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে থাকছেন। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। ডা. লতিফা সামসুদ্দিন তার সঙ্গে যে অন্যায় আচরণ করেছেন, তার প্রতিবাদ জানিয়ে বাবার সম্পত্তির অধিকার ফেরত পাওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান তিনি।

তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে ডা. লতিফা সামসুদ্দিন উল্টো প্রশ্ন রেখে আমাদের সময়কে বলেন, ‘ডা. রাফেল আমার একমাত্র ছেলে। কেন আমি একমাত্র ছেলের সাথে এমনটা করব? রাফেল মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন। তাই এ ধরনের মনগড়া কথা বলছে।’ এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার মহাসচিব মো. নুরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক দীলিপ কুমার পাল, যুগ্ম মহাসচিব কামরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
Evaly
advertisement