advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সর্বোচ্চ মৃত্যুর দিনে শনাক্ত ছাড়াল ৩০ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মে ২০২০ ২৩:৩৯
advertisement

দেশে ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৬৯৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে করোনার রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩০ হাজার ২০৬ জনে। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ২৪ জন। এটি ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যু। ফলে ভাইরাস সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৩২ জন। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৮৮ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ১৯০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গতকাল শুক্রবার দুপুরে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, বর্তমানে ৪৭টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। এসব ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৯ হাজার ৯৯৩টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ৯ হাজার ৭২৭টি। নমুনা পরীক্ষায় এক হাজার ৬৯৪ জনের শরীরের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩০ হাজার ২০৫ জনে।

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৩২ জন। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ ও তিনজন নারী। হাসপাতালে মারা গেছেন ১৫ জন, বাড়িতে আটজন এবং মৃত অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অঞ্চল বিবেচনায় ঢাকা

বিভাগে ১৩, চট্টগ্রাম বিভাগে নয়, বরিশাল বিভাগে একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন রয়েছেন।

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে পাঁচ, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুই, ৫১ থেকে ৬০ বছরের পাঁচজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ছয়, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে দুই এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ২২৫ জনকে এবং ছাড় পেয়েছেন ৬২ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন চার হাজার ৬০ জন। ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিনে মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে দুই হাজার ৫৬০ জনকে এবং ছাড়া পেয়েছেন দুই হাজার ১৯ জন। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৪ জনকে এবং ছাড়া পেয়েছেন ২ লাখ তিন হাজার ১৭১ জন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৪ হাজার ৯২৩ জন।

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধাবস্থা। এ যুদ্ধাবস্থায় প্রত্যেকেই যোদ্ধার মানসিকতা ধারণ করুন। যে যেখানে আছেন সেখানেই অবস্থান করুন। শহর থেকে গ্রামের দিকে যাবেন না। যে প্রিয় পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ঈদ করতে গ্রামে যেতে চাচ্ছেন। আপনার কারণে আপনার সেই প্রিয়জন যেন ঝুঁকিতে না পড়ে। প্রধানমন্ত্রীর সেনাপতিত্বে সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ও জনসাধারণ কাজ করে যাচ্ছে। করোনার চিকিৎসা দিতে গিয়ে অনেক ডাক্তার, নার্স ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টসহ স্বাস্থ্যকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অনেকেই অসুস্থ হয়েছেন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন। আপনারা সবাই সহযোগিতা করুন।

advertisement
Evall
advertisement