advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

রোহিঙ্গারা ভালো নেই মনে হলে নিয়ে যান : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আমাদের সময় ডেস্ক
২৩ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মে ২০২০ ২৩:৪০
advertisement

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ভাসানচরে পাঠানো রোহিঙ্গাদের মারধরের অভিযোগ তুলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) প্রতিবেদন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। তিনি জানতে চেয়েছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের সময় সংস্থাটি কেন নিশ্চুপ ছিল? বঙ্গোপসাগরে কয়েক সপ্তাহ ধরে নৌকায় ভাসতে থাকা প্রায় ৩০৬ জন রোহিঙ্গাকে এ মাসের শুরুর দিকে উদ্ধার করে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই রোহিঙ্গারা সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মালয়েশিয়া রোহিঙ্গাদের নৌকা তাদের জলসীমায় ঢুকতে দেয়নি। থাইল্যান্ডও তাদের আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বাংলাদেশ তাদের

উদ্ধার করে।

করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে উদ্ধারের পর এসব রোহিঙ্গাকে কোয়ারেন্টিনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ভাসানচরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে জনাকীর্ণ পরিসরে থাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঘটলে তা ভয়ানক হয়ে ওঠার ঝুঁকি বেড়ে যাবে। নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরডব্লিউ ভাসানচরে বসবাস করা অন্তত ২৫ জন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নিয়ে গত বুধবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে দাবি করা হয়, নিরাপত্তারক্ষীরা জিজ্ঞাসাবাদের নামে রোহিঙ্গাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং মারধর করছে। নারী রোহিঙ্গারা জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ থেকে চিৎকার শুনেছে বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘তাদের নিশ্চয়ই খারাপ উদ্দেশ্য আছে। মিয়ানমারে নৃশংসতার সময় কেন তারা নিশ্চুপ ছিল? যারা এত কথা বলছে তাদের উচিত রোহিঙ্গাদের তাদের নিজেদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা। যদি তারা মনে করে রোহিঙ্গারা এখানে ভালো নেই তবে তাদের উচিত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিয়ে তাদের খুশি রাখা।’ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন এবং অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেন।

এদিকে একই বিষয় নিয়ে শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সম্প্রতি ঢাকায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে ড. মোমেন বলেন, ‘আমি ওনাদের বলেছি, আমাদের দেশের মানুষের বার্ষিক আয় দুই হাজার ডলার আর আপনাদের ৫৬ হাজার ডলার। আমার এখানে ১২০০ লোক প্রতি বর্গকিলোমিটারে থাকে, আর আপনাদের দেশে থাকে ১৫ জন। আপনি নিয়ে যান না কেন? আপনার যদি এত দরদ থাকে, ওদের বেটার লাইফ দেবেন, নিয়ে যান আপনার দেশে। অসুবিধা কী? আমরা কাউকে আটকাব না। রিলোকেট দেম। যে কোনো দেশে নিয়ে যান।’

advertisement
Evall
advertisement