advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

২৫০০ টাকা পেতে চেয়ারম্যানকেই দিতে হলো ৫০০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
২৩ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মে ২০২০ ২৩:৪০
advertisement

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের ২৫০০ টাকা বিতরণের আগেই বিকাশ হিসাব খোলা ও ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্সের নামে অসহায় মানুষদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। বগুড়ার শিবগঞ্জে ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম রূপমের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মোজাহিদ সরকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলমগীর কবিরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মুজাহিদ সরকার বলেন, কয়েকদিন ধরে সরেজমিন তদন্ত করা হয়েছে। ভিডিওতে কথা বলা নারী, রাহী টেলিকমের মালিক ও ইউপি

চেয়ারম্যানের সঙ্গে পৃথকভাবে একাধিকবার কথা বলে হয়েছে। তদন্তের কাজ সম্পন্ন করে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে সুপারিশসহ ঊর্ধŸতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। পরবর্তী সময়ে তারা প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউপি চেয়ারম্যান এসএম রূপম রাহী এক টেলিকম ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগসাজশ করে সিমের মূল্য ও বিকাশের হিসাব খুলে দেওয়ার নামে ২২০ টাকা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্সের নামে রশিদমূলে প্রতিজনের কাছ থেকে ২৮০ টাকা মোট ৫০০ টাকা করে আদায় করেছেন। সব মিলিয়ে দেড় শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে এ টাকা আদায় করা হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হলে কয়েকজনকে সেই টাকা ফেরত দেওয়া হয়। তবে এখনো অনেকেই টাকা ফেরত পাননি।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোবাইল ব্যাংকিং পরিসেবার মাধ্যমে করোনার কারণ কর্মহীন হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে নগদ এককালীন আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। জনপ্রতিনিধিরা এসব দরিদ্রের তালিকা তৈরি করেন। বগুড়া জেলার অন্যান্য স্থানের মতো শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান এসএম রূপমও তার ইউনিয়নের ৫০৬ জনের তালিকা তৈরি করেন।

ধারদেনা করে ১৬৫ দুস্থ চেয়ারম্যানের নির্দেশিত ওই দোকান থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে বিকাশ হিসাব খোলেন। এদিকে চেয়ারম্যানের এ টাকা আদায়ের বিষয়টি জানাজানি হলে সচেতন মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। টাকা আদায়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ভাইরাল হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

advertisement
Evall
advertisement