advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু আরও ৪ জনের

আমাদের সময় ডেস্ক
২৩ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২২ মে ২০২০ ২৩:৪০
advertisement

করোনার উপসর্গ নিয়ে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর, বান্দরবান ও গাইবান্ধায় আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরÑ

উল্লাপাড়া : সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর এলাকার ঝিকিড়া মহল্লায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন এক যুবক। তিনি উল্লাপাড়া পৌরসভার ঝিকিড়া গ্রামের মো. আনোয়ার তালুকদারের ছেলে। চার দিন আগে চাঁদপুর থেকে জ্বর, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, সর্দি ও কাশি নিয়ে বাড়ি আসেন তিনি। শুক্রবার ভোরে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আলামিন সরকার জানান, মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকদের কাছ থেকে জানা যায়, তার শরীরে প্রচ- জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট ছিল। তার নমুনা সংগ্রহ করতে চাইলে পরিবারের লোকজন নমুনা না দিয়ে লাশ নিয়ে চলে যান।

গাইবান্ধা : গোবিন্দগঞ্জে জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে সেখানে তিনি মারা যান। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, উপজেলার চকরহিমাপুর গ্রামের নিবারন দেবনাথের ছেলে গোবিন্দগঞ্জ বাজারের ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী সুদর্শন দেবনাথ গত ১৫ মে থেকে জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের

একটি মেডিক্যাল টিম গত ১৮ মে তার বাড়িতে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে বাড়িটি লকডাউন করে এবং নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে পাঠিয়ে দেয়। শুক্রবার সকালে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহজাদপুর : সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের পোতাজিয়া ব্যাপারীপাড়া গ্রামের লাইলী বেগম (৬৫) বৃহস্পতিবার রাতে শ^াসকষ্ট নিয়ে মারা গেছেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত মোকাররম হোসেনের স্ত্রী। শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম খান জানান, লাইলী বেগম গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে কর্মরত ২ পোশাক শ্রমিক ছেলে রফিক ও মানিকের বাসায় দুই মাস ছিলেন। ৫ দিন আগে শ^াসকষ্ট নিয়ে বাড়ি আসেন তিনি। এর পর তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। গাজীপুর থেকে আসার বিষয়টি গোপন রেখে এ দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ^াসকষ্ট নিয়ে পোতাজিয়ায় অবস্থিত শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। এর আধা ঘণ্টা পর তিনি মারা যান। তার পরিবারের লোকজন লাশ নিয়ে গিয়ে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেন।

বান্দরবান : বান্দরবানে করোনার লক্ষণ নিয়ে জাহেদুল ইসলাম নামে এক শ্রমিক মারা গেছেন। শুক্রবার বিকালে বান্দরবান হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। নিহত শ্রমিকের বাড়ি কুড়িগ্রামের রোমারীও এলাকায়। তিনি রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ইউনিয়নের ছাইঙ্গ্যা দানেশপাড়ায় বসবাস করতেন। এখানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরে শ্রমিক জাহেদ জ¦রে ভুগছিলেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে তিনি ডাক্তার দেখাতে পারেননি। শুধু প্যারাসিটামল খেয়ে বাড়িতে ছিলেন। গতকাল সকাল থেকে অবস্থার অবনতি হলে প্রতিবেশীরা তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক লক্ষণ দেখে তাকে করোনা ইউনিটে পাঠান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

advertisement
Evall
advertisement