advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বাজিতপুরে দোকান দখল ১২ দিনেও মামলা নেয়নি পুলিশ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
২৩ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ মে ২০২০ ১৮:২০
advertisement

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত। সেই সুযোগকে ব্যবহার করে বাজিতপুর পৌর এলাকায় গত ১১ মে নিরীহ হাজী এমআরএম লুৎফুল গনি চঞ্চলের দোকান দখল এবং সাড়ে তিন লাখ টাকার ফার্নিচার ও কসমেটিক্স লুট করা হয় অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনৈক রজব আলী ও রাজিব সাহাসহ অজ্ঞাত আরও ৬ জনকে আসামি করে বাজিতপুর থানায় ঘটনার দিন অভিযোগ দায়ের করেন দোকান মালিক। একই দিন তিনি বাজিতপুর চেম্বার অ্যান্ড কমার্সেও একটি দরখাস্ত দেন। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ গত ১২ দিনেও মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

হাজী এম আর এম লুৎফুল গনি জানান, তার পিতা হাজী হেলাল উদ্দিন আহাম্মেদ তার ছেলে ইশরাক আহাম্মদ রাহাতকে বাজিতপুর শহরের দড়িঘাগটিয়া এলাকায় ৯ ফুট প্রস্থ ও ১৪ ফুট দৈর্ঘ্যরে একটি দোকানঘরসহ মূল্যবান ভূমি দান করেন। তার ছেলে নাবালক হওয়ায় তিনিই ওই দোকানের দেখভাল করেন। তিনি বর্তমানে সপরিবারে ঢাকায় অবস্থান করেন। তার বাড়ির কেয়ারটেকার হাসেম মিয়া দোকানটির দেখভাল ও ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। করোনার কারণে দোকান বেশ কয়েক দিন তালাবদ্ধ ছিল। এ সুযোগে বেশ কিছুদিন থেকে দোকানঘর দখলের হুমকি দিয়ে আসছিল একই উপজেলার দড়িঘটিয়া এলাকার মৃত গেদু মিয়ার ছেলে রজব আলী এবং পালপাড়া এলাকার মৃত মানিক লাল সাহার ছেলে রাজিব সাহাসহ অজ্ঞাত ৬ জন। গত ১১ মে ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে তারা তালা ভেঙে দোকান দখল ও মালামাল লুট করে। হাসেম মিয়া বাধা দিলে তারা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং দোকানের মালামাল ভ্যানগাড়িতে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।

লুৎফুল গনি চঞ্চলের অভিযোগ, আরওআর, সিএস, মাঠ রেকর্ড, জমা খারিজ, এমনকি পৌরসভার অনুমোদিত নকশা থাকার পরও তার সম্পূর্ণ বৈধ দোকানটি পৌরসভা একাধিকবার ভেঙে ফেলার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ সহকারী জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে বর্তমান পৌর মেয়র আনোয়ার হোসেন আশরাফ এবং রজব আলীকে বিবাদী করে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে আদালতের কার্যক্রম দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার সুযোগে দোকানঘরটি দখল ও মালামাল লুট করা হয়।

বাজিতপুর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খলিলুর রহমান পাটুয়ারি জানান, দোকানটিতে তালা ঝুলছে। অভিযোগকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে এলে আমরা দেখতে পারি। ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া আমরা তালা খুলতে পারি না। কোর্ট বন্ধ জানালে তিনি অপেক্ষা করতে বলেন অভিযোগকারীকে।

advertisement
Evall
advertisement