advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঘাড়, পিঠ ও কোমরে ব্যথা

ডা. এম ইয়াছিন আলী
২৩ মে ২০২০ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ মে ২০২০ ০৭:৫৪
advertisement

মেরুদণ্ডের সমস্যায় ঘাড়ে যেসব লক্ষণ দেখা দেয় তা হলো-দাঁড়ানো বা বসা অবস্থায় ঘাড়ে ব্যথা অনুভূত হওয়া; ঘাড় থেকে উৎপন্ন ব্যথা হাতে ছড়িয়ে পড়া; প্রাথমিক পর্যায়ে কাঁধ ও হাতব্যথা; হাতের বিভিন্ন অংশে ঝিন-ঝিন, শিন শিন করা; হাতের বোধশক্তি কমে আসা এবং ক্রমে হাতের অসারতা; ধীরে ধীরে হাত দুর্বল হয়ে হাতের কার্যক্ষমতা লোপ পাওয়া; চূড়ান্ত পর্যায়ে পঙ্গুত্ববরণ করা।

পিঠব্যথার লক্ষণ হলো- বসা ও দাঁড়ানো অবস্থায় পিঠে ব্যথা; পিঠ থেকে বুকের চারপাশে ব্যথা ছড়িয়ে পড়া। কোমরব্যথার লক্ষণ হলো- দাঁড়ানো বা বসা অবস্থায় কোমরে ব্যথা অনুভূত হওয়া; কোমর থেকে উৎপন্ন ব্যথা পায়ে ছড়িয়ে পড়া; পায়ের নিতম্ব ও পায়ের মাংসপেশিতে ব্যথা; পায়ের বিভিন্ন অংশে ঝিন-ঝিন, শিন শিন করা; পায়ের বোধশক্তি কমে আসা এবং পর্যায়ক্রমে পায়ের অসারতা; ক্রমে পা দুর্বল হয়ে পায়ের কার্যক্ষমতা লোপ পাওয়া; চূড়ান্ত পর্যায়ে পঙ্গুত্ববরণ করা। বিভিন্ন কারণে মেরুদন্ডের ব্যথা সৃষ্টি হয়।

ব্যথার উৎপত্তিস্থল ও লক্ষণ প্রকাশের স্থান আলাদা হওয়ায় প্রায়ই সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যাহত হয়। মেরুদণ্ডের হাড়ের ভেতর দিয়ে মাথার খুলি থেকে নেমে আসা রগ বা স্পাইনাল কর্ডে দুই হাড়ের মধ্যবর্তী ডিস্কের কোনো অংশ বের হয়ে গিয়ে চাপের সৃষ্টি করে। ফলে নার্ভের বিচরণ ক্ষেত্রে ব্যথা হয়।

এ জাতীয় ব্যথা প্রচলিত ভাষায় মেরুণ্ডের হাড়ের ক্ষয় বা হাড়ের ফাঁক হয়ে যাওয়া কিংবা হাড় বৃদ্ধি নামে পরিচিত। ডিস্কের স্থানচ্যূতি বা সরে যাওয়ার মাত্রার ওপর নির্ভর করে ডিস্ক প্রোল্যাপ্স রোগের জটিলতা। দীর্ঘমেয়াদি রোগযন্ত্রণায় রোগীরা সাধারণত ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করে সাময়িক ব্যথামুক্তির চেষ্টা করে, যা উচিত নয়। তাই ঘাড়, পিঠ ও কোমর ব্যথায় অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।

লেখক : চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট

ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা। ০১৭৮৭১০৬৭০২

advertisement
Evall
advertisement