advertisement
Azuba
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সারারাত আম্পানের প্রলয়
পুনর্বাসনের পদক্ষেপ নিন

২৩ মে ২০২০ ০০:০০
আপডেট: ২২ মে ২০২০ ২৩:৪২
advertisement

মহাঘূর্ণিঝড় আম্পান দেশের উপকূলীয় জনপদের সর্বত্র ক্ষতচিহ্ন রেখে গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় প্রথম আঘাতের পর আম্পান রাতভর তার ভয়াল থাবা নিয়ে যেখান দিয়ে অতিক্রম করেছে, সেসব অঞ্চল ল-ভ- করে দিয়ে গেছে। এবারও ঝড়ের সঙ্গে লড়াই করে বুক চিতিয়ে দিয়েছে সুন্দরবন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মূল আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। বাংলাদেশে আম্পান সরাসরি আঘাত হানলে কী হতো তা অনুমেয়। এই সময়ে আবারও সুন্দরবন প্রমাণ করল এটি বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের সবচেয়ে বড় আধারই শুধু নয়, তা আমাদের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচও। দুর্যোগ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুন্দরবন না থাকলে কলকাতা শহরে ঘূর্ণিঝড় আম্পান যে তা-ব চালিয়েছে, একই পরিণতি হতো ঢাকাসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর।

গতকাল আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, এ ঝড়ের ছোবলে ১৯ জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভেঙেছে সাড়ে ৭ কিমি বাঁধ। পৌনে ২ লাখ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলবর্তী জেলা সাতক্ষীরা। এ ছাড়া খুলনা, বাগেরহাটসহ উপকূলীয় এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিধ্বস্ত হয় ঘরবাড়ি, ভেঙে পড়ে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি। জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে বসতবাড়ি, দোকানপাট ও মাছের ঘের। নষ্ট হয়েছে মৌসুমি আমের বাগান ও হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান। সিডর ও আইলায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ায় ওই অঞ্চলের মানুষ আবারও একটা বড় ক্ষতির আশঙ্কা করছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আগের ঘূর্ণিঝড়গুলোর তুলনায় কম হয়েছে বলে ধারণা করছে স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে সারাদেশেই কিছু না কিছু ক্ষতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনেই আম্পান-পরবর্তী ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ-টেলিফোনসহ ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনরুদ্ধার করতে হবে; ভেঙে যাওয়া ও ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলোও দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

advertisement
Evall
advertisement